- এই মুহূর্তে দে । শ
- মার্চ ১৭, ২০২৬
ভোট ঘোষণার পরই প্রশাসনে ‘রাতারাতি’ রদবদল, কমিশনকে চিঠি মমতার
বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার পরপরই পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসনে নজিরবিহীন রদবদল ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক। এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার-কে চিঠি দিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং এই সিদ্ধান্তের কারণ জানতে চেয়েছেন।
ভোট ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব-সহ একাধিক শীর্ষ আমলার বদলি করা হয়। মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীর জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয় দুষ্মন্ত নারিয়ালাকে। একইভাবে স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশ প্রসাদ মিনার পরিবর্তে নতুন দায়িত্ব পান ১৯৯৭ ব্যাচের আইএএস কর্মকর্তা সংঘমিত্রা ঘোষ, যিনি আগে নারী ও শিশুকল্যাণ দপ্তরের সচিব ছিলেন।
শুধু প্রশাসনিক স্তরেই নয়, পুলিশ বিভাগেও বড়সড় পরিবর্তন আনা হয়। রাজ্য পুলিশের ডিজি পদে পীযূষ পাণ্ডের বদলে দায়িত্ব দেওয়া হয় সিদ্ধিনাথ গুপ্তাকে। কলকাতার পুলিশ কমিশনার পদ থেকে সুপ্রতিম সরকারকে সরিয়ে সেখানে নিয়োগ করা হয় অজয় নন্দাকে। এছাড়া এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) পদে বিনীত গোয়েলের পরিবর্তে দায়িত্বে আসেন অজয় মুকুন্দ রানাডে।
এই ধারাবাহিক বদলির সময় ও পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন একতরফাভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং প্রচলিত নিয়ম মেনে রাজ্য সরকারের কাছ থেকে নতুন নাম চাওয়া হয়নি। তিনি চিঠিতে উল্লেখ করেছেন, এই পদক্ষেপ কমিশন ও রাজ্য প্রশাসনের স্বাভাবিক কাজের রীতির পরিপন্থী এবং দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোরও বিরোধী।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব শুধু ক্ষমতা প্রয়োগ করা নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভারসাম্য বজায় রাখাও জরুরি। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে কমিশনের ভূমিকা নিয়েই নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে।
❤ Support Us






