- দে । শ
- এপ্রিল ১৩, ২০২৩
প্রেসিডেন্সিতে আচমকা আনন্দ, বিক্ষোভ দেখাল এসএফআই-এর ছাত্ররা
প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে ব্যাপক ছাত্র বিক্ষোভের মুখে পড়লেন রাজ্যপাল। কলকাতা ও বারাসাতে তাঁর গিয়ে তার যে অভিজ্ঞতা হয়েছিল এদিনও তার ব্যতিক্রম হল না। পড়ুয়াদের দাবি, অবিলম্বে জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ প্রত্যাহার ও ছাত্র সংসদ নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে।আগের দিন বারাসাত রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে একই দাবিতে রাজ্যপালের কনভয়কে ঘিরে বিক্ষোভ দেখিয়েছিল তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। প্রেসিডেন্সিতেও তার ব্যতিক্রম ঘটল না। তবে, এবারে আন্দোলনের পুরোভাগে ছিল বাম ছাত্র সংগঠন এসএফআই।
সংবাদ সংস্থার খবর, সবিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় শিক্ষা নীতি-২০২০ বাস্তবায়নের উপযুক্ত পরিকাঠামো আছে কিনা তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন আনন্দ। এব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বক্তব্য তিনি জানতে চেয়েছেন। ঐতিহ্যশালী বেকার ল্যাবে গিয়ে অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধানদের সঙ্গে দীর্ঘ আলাপচারিতায় নিমগ্ন ছিলেন রাজ্যপাল। সেখানে একটি অনুপ্রেরণা দায়ক ভাষণ তিনি দিয়েছেন। কলকাতা ও বারাসাতের মতো প্রেসিডেন্সিতে গিয়েও পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা তিনি কথা বলেন। জানা যাচ্ছে, পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের রাজভবনে আমন্ত্রন জানিয়েছেন রাজ্যপাল। সেই সঙ্গে তাঁর প্রস্তাব, মাসে একদিন হোস্টেলের একবেলার খাবার-দাবারের ব্যবস্থা করবে রাজভবন। আসলে প্রেসিডেন্সিতে যখন তিনি প্রবেশ করেন তখন বেশ কয়েকজন পড়ুয়া তাঁদের খাদ্য ও পানীয়ের সমস্যার কথা রাজ্যপালকে জানিয়েছিলেন। তার প্রতিক্রিয়ায় এমন কথা বলেন তিনি। কিন্তু শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন, বাকি সাড়ে ২৯ দিনের খাবারের মান কী হবে ? যে খাবার নিয়ে তাঁদের অভিযোগ তাই কি গ্রহণ করতে হবে?
শিক্ষা দফতর রাজ্যপালের অতি সক্রিয়তা নিয়ে অসন্তুষ্ট। কয়েকদিন আগে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে আচমকা হাজির হয়েছিলেন আচার্য। তারপরে বুধবার বারাসাত রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়য়ে কোনো রাজ্যপালকে এতটা সক্রিয় হয়ে বিভিন্ন স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিতি হতে দেখা যায়নি। কিন্তু বর্তমান রাজ্যপাল বার বার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাচ্ছেন। কথা বলছেন সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে, পড়ুয়া অধ্যাপকদের কাছে প্রশ্ন করছেন পড়াশোনার হাল-হকিকত নিয়ে। কিন্তু রাজ্যের প্রশাসন আচার্যর আচমকা সফর নিয়ে চিন্তিত। সম্প্রতি রাজভবন থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলা হয়েছিল উপাচার্যরা বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা বিষয়ে তাঁকে মেল করবেন। বিষয়টিকে খুব ভালো ভাবে নেয়নি নবান্ন। এখন রাজ্যপাল যেভাবে উচ্চশিক্ষা নিয়ে তৎপরতা দেখাতে শুরু করেছেন, তাতে উচ্চশিক্ষায় রাজ্যপাল-রাজ্য দ্বন্দ্ব নতুন মাত্রা লাভ করতে পারে।
❤ Support Us





