Advertisement
  • দে । শ
  • আগস্ট ১২, ২০২৫

হিঙ্গলগঞ্জে বাঁধে ধস, তলিয়ে যেতে পারে রাস্তা, আতঙ্ক গ্রামে।

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
হিঙ্গলগঞ্জে বাঁধে ধস, তলিয়ে যেতে পারে রাস্তা, আতঙ্ক গ্রামে।

ফের ‌ইছামতীর সঙ্গমে স্লুইজ গেটের কাছে বাঁধে বিপজ্জনক ভাবে ধস নামল। ফলে আতঙ্ক ছড়িয়েছে হিঙ্গলগঞ্জের স্যান্ডেলবিল পঞ্চায়েতের ১৩ নম্বর বাঁকড়া ডোবর গ্রামে। এই গ্রামে স্লুইজ গেট সংলগ্ন এলাকায় প্রায় ৮০ ফুটের বেশি নদী বাঁধে ধস নেমেছে। পূর্নিমার কোটালে এখন বসিরহাটের সুন্দরবন এলাকার নদীগুলি জোয়ারের সময় ফুলে ফেঁপে উঠছে। ভরা কোটালের জলের চাপ সহ্য করতে না পেরে বাঁধে ধস নেমেছে। যা দেখে রীতিমত আতঙ্কিত এলাকার মানুষজন। তাঁদের দাবি, এই নদী বাঁধের সমস্যা দীর্ঘদিনের সমস্যা। বারবার প্রশাসনকে জানানো হলেও কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সেচ দপ্তরের দিকে ক্ষোভ উগরে সাধারণ মানুষ বলেন, বারবার বলার পরেও এদিকে কেউ দেখে না। গত মাসেও এখানে বাঁধে ধস নেমেছিল। সেচ দপ্তর দায়সারা ভাবে কোন রকমে পলিথিন দিয়ে জলের স্রোতের ধাক্কা সামলানোর ব্যবস্থা করেছে। একটানা বৃষ্টির ফলে বাঁধের মাটি নরম হয়ে আলগা হয়ে গেছে। যার ফলে বারবার ঘটছে বিপত্তি। বাঁধের ওপর দিয়ে ইটের রাস্তা ধসের কবলে পড়েছে। এভাবে চললে রাস্তা নদীতে তলিয়ে যাবে। এলাকার মানুষের দাবি, ভাঙন রোধে শক্তপোক্ত ভাবে বাঁধ তৈরি করা হোক। এ বিষয়ে বনভূমির কর্মাধ্যক্ষ সুরজিৎ বর্মন বলেন, স্থানীয় মানুষের ক্ষোভের সঙ্গত কারণ আছে। আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি বাঁধ মেরামতির জন্য। কিন্তু সমস্যা হল, কেন্দ্রীয় সরকার বাংলাকে প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত করে রেখেছে। ১০০ দিনের কাজের টাকা দিচ্ছে না। ফলে বাঁধের ওপর সারা বছর যেভাবে নজরদারি ও মেরামতি চলে সেটা আগের মত করা যাচ্ছে না। সীমিত সামর্থের মধ্যেই রাজ্য সরকারকে কাজ করতে হচ্ছে। ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সেচ দপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দ্রুত বাঁধ মেরামতির জন্য। এখন জলের চাপ বেশি থাকায় কাজে সমস্যা হচ্ছে। পূর্ণিমার কোটাল শেষ হলেই কাজে নামবে সেচ দপ্তর।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!