- এই মুহূর্তে দে । শ
- জুলাই ২৭, ২০২৪
মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া সময়সীমা অতিক্রান্ত, বেআইনি দখল উচ্ছেদ করতে শুরু পুরো তৎপরতা
জবরদখল রুখতে হকার-উচ্ছেদ অভিযান এক মাস বন্ধ রেখে ওই সময়ে সমীক্ষার নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সে সময়সীমা শেষ হচ্ছে শনিবার। প্রথম পর্যায়ের সমীক্ষা রিপোর্ট। ইতিমধ্যেই তৈরি। চলছে দ্বিতীয় পর্যায়ের সমীক্ষা।
কলকাতা ও শহরতলির সর্বত্র ব্যাঙের ছাতার মত গজিয়ে উঠেছে নানা ধরনের দোকান। এতে ব্যাহত হচ্ছে ট্রাফিক পরিষেবা, দূষণ হচ্ছে মাত্রা ছাড়া । পাশাপাশি অনেক ক্ষেত্রে নিম্নমানের দ্রব্য বিক্রি করার অভিযোগও আসছে।বিশেষ করে খাবারের দোকানের ক্ষেত্রে এই অভিযোগ একাধিক। গত মাসে ২৪জুন নবান্নে বৈঠক ডাকেন মমতা। সেখানে নেতা থেকে কাউন্সিলর পুরসভার আধিকারিকেরা সবাইকে মুখ্যমন্ত্রীর ধমকের সামনে পড়তে হয়। এরপরই কলকাতাসহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ফুটপাত দখলকারী হকারদের সরানোর কাজ শুরু হয়। এরপর তিনদিন কেটে যাওয়ার পর তা বন্ধ রেখে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে হকারদের পরিচয় নথিভুক্ত করার কাজ শুরু হয়।
গড়িয়াহাট, নিউ মার্কেট সহ শহরের বিভিন্ন রাস্তার হকারদের থেকে তথ্য সংগ্রহ করার পর সেই রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে মেয়র ফিরহাদ হাকিমকে।কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম, ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ, আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক, বিদ্যুৎমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এবং মেয়র পারিষদ (হকার পুনর্বাসন) দেবাশিস কুমারকে নিয়ে গঠিত পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি এবং পুলিশ শহরের রাস্তায় অভিযান চালায়।
❤ Support Us






