Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৫

দর নিয়ন্ত্রণে হস্তক্ষেপ করুক সরকার, উঠছে দাবি। ধানের বাড়তি দাম, রফতানিতেই বাড়ছে চালের দাম, পাল্টা যুক্তি পেশ রাইস মিল ব্যবসায়ীদের

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
দর নিয়ন্ত্রণে হস্তক্ষেপ করুক সরকার, উঠছে দাবি। ধানের বাড়তি দাম, রফতানিতেই বাড়ছে চালের দাম, পাল্টা যুক্তি পেশ রাইস মিল ব্যবসায়ীদের

চালের দাম বাড়ছে হু হু করে। তার জেরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রাজ্যের ‘ধানের গোলা’ হিসেবে খ্যাত পূর্ব বর্ধমান জেলাজুড়ে। জেলাজুড়ে চক্কর দিয়ে তার আঁচ মিলল। বেশি দাম বেড়েছে মূলত সরু চালের। এর ফলে মধ্যবিত্তের হেঁসেলে প্রভাব পড়েছে সবথেকে বেশি। টাস্ক ফোর্সের হস্তক্ষেপ দাবি করছেন আমজনতা। তাদের প্রশ্ন, আনাজপাতির দাম বাড়লে যদি টাস্ক ফোর্স তৈরি হতে পারে, তাহলে চালের দাম নিয়ন্ত্রণ করতে কেন টাস্ক ফোর্স তৈরি হবে না? চালের পাইকারি ও খুচরো বিক্রির আড়ত ও বাজারে টহল দিয়ে জানা গেল, মিনিকিটের দাম প্রতি কেজিতে ৭ থেকে ১০ টাকা, নতুন গোবিন্দভোগ চালের দাম ১২ থেকে ১৫ টাকা, পুরনো গোবিন্দভোগ ৮ থেকে ১০ টাকা, বাঁশকাঠির দাম ১৪ থেকে ১৫ টাকা বেড়েছে।

এমন পরিস্থিতি যে, যারা রেশনের মোটা চালের ভাত মুখে তুলতেন না, তাঁরাই রেশনের চাল পরম যত্নে বাড়ি নিয়ে গিয়ে ফোটাচ্ছেন। অনেকে আবার রেশন থেকে পাওয়া মোটা চাল (লালস্বর্ণ) বিক্রি করে দিতেন। সরু চালের দর ঊর্ধ্বমুখী  হওয়ায় এখন সেই চালের কদর বেড়েছে চতুর্গুণ। এ ব্যাপারে জেলা ধান্য ব্যবসায়ী সভাপতি সুকান্ত পাঁজার যুক্তি, ‘খোলা বাজারে ধানের দাম বাড়াই অন্যতম কারণ। চাষিরা ধান মজুত করে রাখছেন। বেশি দর হাঁকছেন।  চালকল মালিকদের বেশি দরে ধান কিনে ধান থেকে চাল তৈরি করে বাজারজাত করার কারণে দর খরচ বেশি হচ্ছে। তার প্রভাব পড়ছে চালের দামে।’ আবার জানা গেল, গোবিন্দভোগ চালের জন্য রপ্তানি বাজার উন্মুক্ত করে দেওয়ায় এই চালের দর লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। দিন ১৫ আগেও খুচরো বাজারে নতুন গোবিন্দভোগের দাম ছিল কেজি প্রতি ৮০ টাকা ও পুরনো গোবিন্দভোগের দর ছিল কেজিতে ৯০ টাকা। এখন তা বেড়ে হয়েছে ৯৫ টাকা (নতুন) ও ১০০ টাকা (পুরনো)। জেলা গোবিন্দভোগ রাইস মিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক শ্যামল রায় এই দর বৃদ্ধিতে ‘আশার আলো’ দেখছেন। বললেন, ‘এতে চাষিরা লাভবান হচ্ছেন। বেশি দাম পাচ্ছেন।’ চালকল মালিক সমিতির জেলা সম্পাদক আবদুল মালেক মনে করেন, ‘এর ইতিবাচক দিক হল, খোলা বাজারে কৃষকরা ধানের ভাল দর পাচ্ছেন। অর্থনীতি চাঙ্গা হচ্ছে।’ অন্যদিকে খুচরো চাল বিক্রেতাদের দাবি, মোটা চালের তুলনায় সরু চালের খরিদ্দার বেশি। সরু চালের জোগান কমায় দাম বাড়ছে। এই আবহে কৃষকদের মুখে হাসি ফুটলেও আমজনতার পকেটে টান।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!