- এই মুহূর্তে দে । শ
- ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬
মার্চের প্রথম সপ্তাহেই রাজ্যে ১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ? অশান্তির আশঙ্কায় বাড়তি সতর্কতা কমিশনের
রাজ্যে ‘স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন’–এর শুনানি ঘিরে একের পর এক অশান্তির ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলার আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে বাড়তি সতর্কতা নিতে চাইছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর আইন–শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকেই ভোট ঘোষণার আগেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের প্রস্তাব গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছে কমিশন।
কমিশন সূত্রে খবর, মার্চের প্রথম সপ্তাহেই অন্তত ১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী নামানো হতে পারে। সদ্য নিযুক্ত বিশেষ পর্যবেক্ষক, অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস কর্মকর্তা এন. কে. মিশ্রের কাছ থেকে এ বিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে আগাম কড়া নজরদারি ও নিরাপত্তা জোরদার করে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করাই কমিশনের প্রধান লক্ষ্য।
কমিশন আগেই জানিয়েছে, এস আই আর–এর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করা হবে। তবে শুনানির নথিপত্র যাচাইয়ের কাজ যেভাবে এগোচ্ছে, তাতে নির্ধারিত দিনে তালিকা প্রকাশ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পরই নির্বাচন ঘোষণার পথে হাঁটতে চায় কমিশন। সে ক্ষেত্রে মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যেই বিধানসভা ভোট ঘোষণা হতে পারে বলে অনুমান।
উল্লেখ্য, ‘এস আই আর’-এর শুনানি চলাকালীন সময়ে রাজ্যের আইন–শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে, যা দেশের শীর্ষ আদালতের নজরেও আনা হয়েছে। সতর্কতা সত্ত্বেও রাজ্য পুলিশ সক্রিয় ভূমিকা নেয়নি—এমন অভিযোগে রাজ্য পুলিশের ডিজিপিকে শো-কজ নোটিসের মুখোমুখি হতে হয়েছে।
কমিশন সূত্রের দাবি, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের তুলনায় এ বার বিধানসভা ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। সব মিলিয়ে, সম্ভাব্য অশান্তি রুখতে এবং অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে আগাম প্রস্তুতিতেই জোর দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন।
❤ Support Us






