- এই মুহূর্তে বি। দে । শ
- অক্টোবর ২৮, ২০২৫
গাজায় ইজরায়েলের হামলা অব্যাহত, মৃত ২ ফিলিস্তিনি
আরও এক জিম্মির মৃতদেহ ইজরায়েলের হাতে তুলে দিল ফিলিস্তিনিদের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাস। হামাসের হাতে গাজায় জিম্মি থাকা অবস্থায় ওই ইজরায়েলি মারা যান। সোমবার ইজরায়েলের সেনাবাহিনীর হামলার মাঝেই এই হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। দক্ষিণ গাজায় ইজরায়েলের হানায় ২ জন নিহত হয়েছেন।
যুদ্ধবিরতি চুক্তি হওয়া সত্ত্বেও চুক্তি লঙ্ঘন করে ইজরায়েলি সেনাবাহিনী এখনও গাজায় হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। সোমবার গাজার দক্ষিণাঞ্চলে ইজরায়েলি ড্রোন হামলায় দুজন ফিলিস্তিনি নিহত হন। এই হামলার কয়েক ঘণ্টা পরই হামাসরা ওই মৃত জিম্মির মরদেহ ইজরায়েল সেনার হাতে তুলে দেয়। ইজরায়েলের সামরিক বাহিনী সোমবার জানিয়েছে, হামাসের কাছ থেকে ওই জিম্মির মরদেহের কফিন রেডক্রস নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে। রেডক্রস গাজায় থাকা সেনাদের হাতে ওই জিম্মির কফিনবন্দী দেহ তুলে দিয়েছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কাতার, মিশরের মধ্যস্ততায় ইজরায়েল ও হামাসের মধ্যে ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হয়। চুক্তির শর্ত মেনে সব জিম্মিকে মুক্ত করার পাশাপাশি মৃত ২৮ জন জিম্মির দেহ ফেরত দেওয়ার কথা হামাসের। সোমবার পর্যন্ত ১৬ জন জিম্মির মরদেহ ইজলায়েল সেনার হাতে তুলে দিয়েছে হামাসরা। যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্ত মেনে এর আগে ১৩ অক্টোবর ২০ জন জীবিত জিম্মিকে ইজরায়েলের কাছে হস্তান্তর করেছে হামাস।
সব জিম্মির মরদেহ খুঁজে বার করা হামাসদের কাছে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ ইজরায়েলের হামলায় গাজার মানচিত্রই বদলে গেছে। হামাসের যেসব সদস্যরা জিম্মিদের দাফন করেছিলেন, তাদের অনেকেই ইজরায়েলের হামলায় মারা গেছেন। একদিকে ভূখণ্ডের বদল, অন্যদিকে সদস্যদের মৃত্যু জিম্মিদের কফিন খুঁজে পেতে সমস্যা হচ্ছে। কারণ, যাকা কফিন দাফন করেছিলেন, তারা অনেকেই যুদ্ধে মৃত। অনেকে আবার ভূখণ্ড বদলে যাওয়ার কারণে দাফনের জায়গা চিনতে পারছেন না।
❤ Support Us






