- এই মুহূর্তে দে । শ
- জানুয়ারি ৯, ২০২৬
ভোররাতে গঙ্গাসাগরে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড, পুড়ে ছাই প্রশাসনিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার একাধিক অস্থায়ী ছাউনি
গঙ্গাসাগর মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের ঠিক পরের দিনই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল। বুধবার ভোররাতে গঙ্গাসাগরের ২ নম্বর স্নানঘাট সংলগ্ন এলাকায় একাধিক অস্থায়ী ছাউনিতে আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের ছাউনিগুলিতে এবং তা বিধ্বংসী রূপ নেয়।
ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পুলিশ, তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম এবং নিখোঁজদের খোঁজার কাজে যুক্ত এনজিও বজরং পরিষদের একাধিক অস্থায়ী শিবির। এই ছাউনিগুলি পুণ্যার্থীদের থাকার জন্য নয়, বরং গঙ্গাসাগর মেলার সময় প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত আধিকারিক, কর্মী, সংবাদমাধ্যম ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলির জন্য প্রতিবছরই অস্থায়ীভাবে তৈরি করা হয়।
প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, ভোর আনুমানিক ৪টা থেকে সাড়ে ৪টার মধ্যে প্রথম একটি ছাউনিতে আগুন লাগে। বাঁশ ও প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি হওয়ায় ছাউনিগুলি ছিল অত্যন্ত দাহ্য। ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে একের পর এক ছাউনিতে এবং সেগুলি সম্পূর্ণভাবে পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকল বাহিনীর ২টি ইঞ্জিন ও ৫টি ফায়ার ফাইটিং বাইক। প্রায় আধ ঘণ্টা থেকে ৪০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। তবে ততক্ষণে অধিকাংশ অস্থায়ী ছাউনি সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে যায়।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন গঙ্গাসাগর কোস্টাল থানার পুলিশ, সাগরের বিডিও কানাইয়াকুমার রায়-সহ প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকরা। আগুন লাগার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে।
কিছুদিন আগেই নতুন বছরের শুরুতে গঙ্গাসাগরবাসীর জন্য বড় উপহারের ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি গঙ্গাসাগরে মুড়িগঙ্গা নদীর উপর চার লেনের একটি নতুন সেতু নির্মাণের শিলান্যাস করেন। প্রায় ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকা ব্যয়ে এই সেতু নির্মিত হবে বলে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন।
সূত্রের খবর, সেতু নির্মাণের জন্য ইতিমধ্যে ৮০ শতাংশ জমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে এবং শীঘ্রই বাকি ২০ শতাংশ জমি অধিগ্রহণের কাজ শেষ হবে। ‘এক্সট্রা ডোজ কেবল স্টেইড ব্রিজ’-এর আদলে নির্মিত হবে এই সেতু, যার প্রায় ৩ কিলোমিটার অংশ থাকবে নদীর উপর।
সেতু নির্মাণের আগে প্রযুক্তিগত দিক থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। IIT গুয়াহাটি দ্বারা ভূকম্পন পরীক্ষা করা হয়েছে এবং IIT কানপুর উইন্ড টানেল টেস্টের কাজ সম্পন্ন করেছে। পাশাপাশি বিশেষভাবে মাটি পরীক্ষাও করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
❤ Support Us






