Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৪

সরানো হল স্বাস্থ্য অধিকর্তা ও স্বাস্থ্যশিক্ষা অধিকর্তাকে। কর্মবিরতি অব্যাহত জুনিয়র চিকিৎসকদের

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
সরানো হল স্বাস্থ্য অধিকর্তা ও স্বাস্থ্যশিক্ষা অধিকর্তাকে। কর্মবিরতি অব্যাহত জুনিয়র চিকিৎসকদের

জুনিয়র চিকিৎসকদের দাবি ছিল কলকাতা পুলিশের নগরপালের পাশাপাশি সরিয়ে দিতে হবে রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিব, স্বাস্থ্য অধিকর্তা ও স্বাস্থ্যশিক্ষা অধিকর্তাকে। স্বাস্থ্যসচিবকে সরানোর কথা না বললেও বাকি দুই আধিকারিককে সরানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। প্রতিশ্রুতিমতো মঙ্গলবার সরিয়ে দেওয়া হল রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তা ও স্বাস্থ্যশিক্ষা অধিকর্তাকে। আজ বিকেলে এই দুই আধিকারিকের বদলির ব্যাপারে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে নবান্ন।

রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তার দায়িত্বে ছিলেন দেবাশিস হালদার। আর স্বাস্থ্যশিক্ষা অধিকর্তার দায়িত্বে ছিলেন কৌস্তভ নায়েক। এই দুই কর্তার বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ ছিল আন্দোলনকারী জুনিয়র চিকিৎসকদের। অন্যতম অভিযোগ ছিল, আর জি করে মহিলা চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার তদন্তে প্রভাবিত করেছেন, আসল তথ্য আড়াল করেছেন। তাঁরা পদে থাকলে স্বচ্ছ তদন্ত হবে না। এছাড়াও এই দুই কর্তা নানারকম দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত বলে দাবি জুনিয়র চিকিৎসকদের। তাই তাঁরা এদের বদলির দাবি জানিয়েছিলেন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীও প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তাঁদের বদলি করা হবে।
মঙ্গলবার রাজয় সরকারের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়েছে, দেবাশিস হালদারকে সরিয়ে স্বাস্থ্য অধিকর্তা পদে নিয়ে আসা হয়েছে স্বপন সোরেনকে। আপাতত তিনি অস্থায়ীভাবে দায়িত্ব সামলাবেন। আগে তিনি যুগ্ম স্বাস্থ্য অধিকর্তার দায়িত্বে ছিলেন। সরিয়ে দেওয়া হয়েছে স্বাস্থ্যশিক্ষা অধিকর্তা কৌস্তভ নায়েককেও। তাঁর জায়গায় নিয়ে আসা হয়েছে সুপর্ণা দত্তকে। তিনিও অস্থায়ীভাবে দায়িত্ব সামলাবেন। সুপর্ণা দত্ত আগে ছিলেন ইনস্টিটিউট অফ হেলথ অ্যান্ড ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ারের ডিরেক্টর পদে। কৌস্তভ নায়েককে সরিয়ে সুপর্ণা দত্তর জায়গায় বসানো হয়েছে। স্বাস্থ্যশিক্ষা অধিকর্তা পদের ক্ষেত্রে কমপক্ষে ১০ বছরের অধ্যাপনার অভিজ্ঞতা থাকা জরুরি। কারণ, হাসপাতালের পাশাপাশি মেডিক্যাল কলেজগুলির দায়িত্ব তাঁর ওপরই থাকে। তাই আপাতত স্থায়ীভাবে কাউকে বসানো হল না।

স্বাস্থ্য অধিকর্তা ও স্বাস্থ্যশিক্ষা অধিকর্তাকে সরানো হলেও স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগমকে সরায়নি রাজ্য সরকার। তাঁকেও সরানোর দাবি তুলেছিলেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। এখন প্রশ্ন হল, এরপরেও কি কর্মবিরতি প্রত্যাহার করবেন জুনিয়র চিকিৎসকরা ?‌ রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর বিকেলেই বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের জুনিয়র চিকিৎসকরা নিজেদের মধ্যে বৈঠকে বসেন। তারপর যৌথ জিবি–র বৈঠকে সামিল হন। জুনিয়র চিকিৎসকরা আতঙ্কে রয়েছেন, কাজে ফিরলে তাঁদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। কর্মবিরতি তুলে নেওয়া হবে কিনা, সে ব্যাপারে এখনও সিদ্ধান্ত নেননি।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!