- দে । শ
- জুলাই ২৫, ২০২৩
নাগরিকের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘিত হতে পারে, বিরোধী চাপে ডিএনএ বিল প্রত্যাহার কেন্দ্রের
অপরাধ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে বা কোনো অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিকে শনাক্তকরনের জন্য ডিএনএ পরীক্ষা অত্যন্ত প্রচলিত একটি পদ্ধতি। সাধারণত, অপরাধ সংঘটনাস্থল, জামাকাপড় বা অন্যান্য জিনিস যেখানে মানুষের স্পর্শ রয়েছে, সেখান থেকে প্রয়োজনীয় নমুনা সংগ্রহ করতে হয়। তার ভিত্তিতেই পুরো প্রক্রিয়াটি চালিত হয়। এ নিয়েই ২০১৯ সালে একটি বিল এনেছিল মোদি সরকার যা নিয়ে নতুন করে শুরু হয় বিতর্ক। চার বছর পরে সেই বিল প্রত্যাহার করা হল।
বিলটিতে বলা হয়েছিল, সাত বছরের কারাবাস বা মৃত্যুদণ্ডের সাজাপ্রাপ্তদের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের ক্ষেত্রে অপরাধীর সম্মতি গ্রহণ বাধ্যতামূলক নয়। অর্থাৎ সরকার চাইলেই কোনো তদন্তের স্বার্থে জেল খাটা আসামীর একান্ত ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। শুধু তাই নয়, রাজ্য ও জাতীয় স্তরে ডিএনএ তথ্য ভাণ্ডার গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে। যেসমস্ত পরীক্ষাগারে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হবে, তাঁদের এ ব্যাপারে যাবতীয় তথ্য সরবরাহ করতে হবে। যাতে তথ্য ব্যাঙ্ক তৈরি করা সুবিধাজনক হয়।
ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন, এআইমিম সাংসদ আসাদুদ্দিন ওয়াইয়েসি। তাঁর মতে, ডিএনএ -মতো একান্ত ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহে কওরে তাঁর অপব্যবহার করতে পারে কেন্দ্র। তিনি বলেছেন, ভারতে এখনো কোনো ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা আইন তৈরি হয়নি। যেটা সর্বাগ্রে প্রয়োজন। তা না করেই ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহে নেমেছে সরকার। যা নাগরিকের ব্যক্তিগত গোপনীয়তাকে লঙ্ঘন করে। তাঁকে সমর্থন জানিয়েছেন সিপিআই সংসদীয় প্রতিনিধি বিনয় বিশ্বামিত্র। তিনি বলেছেন, মূলত দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীভুক্ত মানুষকে লক্ষ্য করেই এ বিল আনা হয়েছে। দুজনেই তাঁদের প্রতিবাদপত্র সংসদের বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ও বন , পরিবেশ এবং জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির প্রধান জয়রাম রমেশের কাছে পেশ করেছেন। তিনিও টুইট বার্তায় কেন্দ্রের পদক্ষেপের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন।
❤ Support Us





