Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৫

কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসককে হেনস্থার অভিযোগ । ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গড়লো হাসপাতাল

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসককে হেনস্থার অভিযোগ । ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গড়লো হাসপাতাল

কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসককে মারধরের চেষ্টা ও হেনস্থার অভিযোগ চিকিৎসাধীন রোগীর পরিজনদের বিরুদ্ধে। রোগীর পরিজনদের পাল্টা দাবি কর্তব্যরত চিকিৎসকই তাদেরকে হেনস্থা করেছেন, চিকিৎসাধীন আকবর মল্লিকের ছেলে মিলনকে লাথি মেরেছে। সোমবার দুপুরের এই অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগকে ঘিরে তপ্ত হয়ে ওঠে হাসপাতাল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে কাটোয়া থানার পুলিশ। চিকিৎসার দায়িত্বপ্রাপ্ত  শল্যচিকিৎসক সুব্রত হালদার ও চিকিৎসাধীন রোগীর পরিজনদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি সামাল দেয়। আটক করে মীনা মল্লিক ও মীনার ছেলে মিলনকে। এই ঘটনায় ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গড়েছে হাসপাতাল।

নদীয়ার বল্লভপাড়ার বাসিন্দা আকবর মল্লিকের মুখমণ্ডল আচমকা বিকৃত হয়ে যায়। কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে রবিবার রাতে তাকে ভরতি করা হয়। আকবরের স্ত্রী মীনার অভিযোগ, ‘রবিবার রাত থেকে কোনোরকম চিকিৎসা হয়নি। একথা বলায় ওই চিকিৎসক আমার উপর চড়াও হন। আমার ছেলে মিলনকে লাথি মারেন।’ সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক সুব্রত হালদার বলেন, ‘আকবর মল্লিক নামে চিকিৎসাধীন রোগীর স্ত্রী ও ছেলে মিলে পুরুষ ওয়ার্ডের মধ্যেই  আমাকে হেনস্থা করেছে। আমার জামার কলার ধরার চেষ্টা করছিল। হাসপাতালের সম্পত্তি নষ্ট করছিল। স্যালাইন স্ট্যান্ড ভাঙার চেষ্টা করে। স্যালাইন খুলে ফেলে।’ কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের দায়িত্বপ্রাপ্ত সুপার সুশান্তবরণ দত্ত জানান, ‘ঘটনার কথা শুনেছি। রোগীর পরিজনরা যদি কোন অভিযোগ দেন তাহলে তদন্ত হবে। তবে চিকিৎসক সুব্রত হালদার ফোনে জানিয়েছে তাকে হেনস্থা করা হয়েছে। তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে ঘটনার তদন্ত করা হবে। দোষী ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!