- এই মুহূর্তে দে । শ
- ডিসেম্বর ১৯, ২০২৫
কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মকর্তারাদের নজরদারীতেই শুনানি ভোটার তালিকার
পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন প্রক্রিয়ার দ্বিতীয় পর্বে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মকর্তাদের মাইক্রো অবজার্ভার হিসেবে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার সকালে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এমন পদক্ষেপকে ভোটার তালিকার স্বচ্ছতা ও নির্ভুলতা বাড়ানোর জন্য উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে প্রশাসনিক মহল।
‘মাইক্রো অবজার্ভার’-এর দায়িত্ব মূলত নির্বাচনী কর্মকর্তাদের কাজ পর্যবেক্ষণ করা এবং ভোটার তালিকার সংশোধন প্রক্রিয়ায় সহায়তা করা। কমিশনের নির্দেশনায় তারা এনুমারেশন ফর্ম যাচাই, জন্ম ও মৃত্যুর শংসাপত্রের সঙ্গে ভোটার তালিকার মিল দেখা, শুনানি চলাকালীন জমা পড়া নথি পরীক্ষা, তালিকার ত্রুটি ও অসঙ্গতি চিহ্নিতকরণ এবং পরিসংখ্যানগত বিশ্লেষণে নির্বাচনী কর্মকর্তাদের সহায়তা করবে। তাঁরা কাজ করবেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের অধীনে, এবং জেলা নির্বাচনী কর্মকর্তারা মাইক্রো অবজার্ভারদের নিরাপত্তা এবং যাতায়াতের ব্যবস্থা করবেন। কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, কাজের সময় তাঁদের কেবল ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়াতেই যুক্ত থাকতে হবে এবং এ সময়ের অনুপস্থিতি নিজ নিজ দফতরে ‘অন ডিউটি’ হিসেবে গণ্য হবে। ‘মাইক্রো অবজার্ভার’দের জন্য এককালীন পারিশ্রমিক নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ হাজার টাকা, যা সংশ্লিষ্ট অফিসারের নিজস্ব ক্যাডার থেকে বহন করা হবে। কমিশন আশা করছে, এ পদক্ষেপ ভোটার তালিকার স্বচ্ছতা এবং নির্ভুলতা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।
খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর দেখা গেছে, বহু ভোটারের নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নেই। এছাড়াও, অনেক ভোটারের নথি নিয়ে কমিশনের সন্দেহ রয়েছে। এই সকল ভোটারকে শুনানির জন্য নোটিশ পাঠানো হবে। কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, কোনো যোগ্য ভোটার যাতে তালিকা থেকে বাদ না পড়ে, সে লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সন্দেহজনক নথি থাকলেও প্রথমে ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে দ্বিতীয় নোটিশ পাঠিয়ে ভোটারের নিজের পক্ষে তথ্য উপস্থাপন করার সুযোগ দেওয়া হবে। এর পরও যদি ভোটার নিজেকে প্রমাণ করতে না পারেন, কেবল সেই পরিস্থিতিতেই চূড়ান্ত তালিকা থেকে ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হবে। উল্লেখ্য, শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে শুনানি কার্যক্রম। এদিকে, সিইও দফতরের স্থানান্তরও শুরু হয়েছে। সিএফও অফিস ১৩ নম্বর স্ট্র্যান্ড রোডের শিপিং হাউসের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় সরানো হচ্ছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
❤ Support Us






