Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • আগস্ট ১৪, ২০২৩

ব্রাত্য বসু: শীর্ষ আদালতের রায় এবং রাজ্যের আইনের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে অনিয়মের রাশ টানতে কমিটি গড়বে রাজ্য

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
ব্রাত্য বসু: শীর্ষ আদালতের রায় এবং রাজ্যের আইনের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে অনিয়মের রাশ টানতে কমিটি গড়বে রাজ্য

তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য ট্যুইটে জানিয়েছেন, “শিক্ষা মন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেছেন যে রাজ্য সরকার শীঘ্রই সুপ্রিম কোর্টের রায় এবং রাজ্যের বিদ্যমান বিধি ও প্রবিধান অনুসারে একটি কমিটি গঠন করবে, যা ইউজিসি-র নিয়মের অধীনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির দ্বারা করা হয়নি, র‍্যাগিং-এর অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখবে।” তৃণমূল ছাত্র পরিষদ নেতার এই ট্যুইট দেখে স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে স্বপ্নদীপের মৃত্যুর ঘটনায় রাজ্য সরকার এবার কঠোর সিদ্ধান্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে নিতে চলেছে। এদিকে সোমবারই যাদবপুরে মিছিল করে এসএফআই-এর রাজ্য সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য অভিযোগ করেছেন, “স্বপ্নদীপের মৃত্যুতে আমরা লজ্জিত। আমি ঘটনার দিন ওদের বাড়ি গিয়েছিলাম। ওর বাবা, মায়ের চোখের দিকে তাকানো যাচ্ছে না। একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নেই। অন্য কেউ কি পালিয়েছে? কেন ঘটনার পর রেজিস্ট্রার, প্রো ভিসি বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেননি? ২১ জুলাই-এর সভায় তো যেতে পারেন। আমরা দোষীদের কঠিনতম সাজা চাই প্রকৃত দোষীদের। আর মৃত ছাত্রের বাবার দাবির সঙ্গে সহমত পোষণ করে বলছি, কোনও দোষী যেন আইনের ফাঁক দিয়ে রেহাই না পেয়ে যায়।”

উপাচার্য নিয়োগ ও বোসখাস্ত নিয়ে রাজ্যপালের সিদ্ধান্তের সঙ্গে রাজ্যের সংঘাত এখন আরও চরমে পৌঁছেছে। গত শুক্রবার যাদবপুরের অস্থায়ী উপাচার্যের ইস্তফার পর শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য জানিয়েছিলেন, রাজ্যপালের নির্দেশেই যাদবপুরের অস্থায়ী উপচার্য ইস্তফা দিয়েছেন অমিতাভ দত্ত। যিনি নিয়োগ করছেন, তিনিই ইস্তফা দিতে বলছেন। এমনই মন্তব্য করেছিলেন ব্রাত্য বসুর। তার ঠিক পাঁচ দিনের মাথায় গত ৯ অগস্ট, বুধবার রাতে ওই দুর্ঘটনা ঘটে। যাদবপুরের মেন হস্টেলের তিন তলার বারান্দা থেকে পড়ে মারা যান বাংলা বিভাগের প্রথম বর্ষের এক ছাত্র। অভিযোগ ওঠে র‌্যাগিংয়ের। অভিযোগ ওঠে যাদবপুরের হস্টেল আঁকড়ে পড়ে থাকা প্রাক্তনীদের ‘অত্যাচার’-এরও । স্বাভাবিক ভাবেই এর পর আঙুল ওঠে কর্তৃপক্ষের দিকে। প্রশ্ন ওঠে, তাঁদের নজর এড়িয়ে এবং নিয়মের পরোয়া না করে কী ভাবে দিনের পর দিন আইন ভেঙে হস্টেলে পড়ে থাকতেন এই প্রাক্তনীরা?

উল্লেখ্য, যাদবপুরের ছাত্র মৃত্যুর ঘটনা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ব্যর্থতার জন্য ইতিমধ্যেই রাজ্যপালকে দায়ী করেছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য। যাদবপুরের ঘটনায় বিজেপির তরফে যখন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের উপর অভিযোগ আনা হচ্ছে, তখন ব্রাত্য বসু  বলেছিলেন, “বিশ্ববিদ্য়ালয়ের প্রসাশনিক দায়িত্ব শীর্ষে এখনও রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য তথা রাজ্যপাল। ফলে দায় যদি কারও উপর বর্তায়, তবে তাঁর উপরেই।”


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!