- দে । শ
- মার্চ ১৭, ২০২৬
এলপিজি পেতে বাধ্যতামূলক ই-কেওয়াইসি, ভর্তুকি ও সরবরাহে স্বচ্ছতা আনতে কেন্দ্রের নতুন নিয়ম
দেশে রান্নার গ্যাসের ক্রমবর্ধমান চাহিদা এবং সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় সরকার এলপিজি গ্রাহকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন থেকে সমস্ত এলপিজি গ্রাহকদের জন্য বায়োমেট্রিক আধার যাচাইকরণ বা ই-কেওয়াইসি (e-KYC) প্রক্রিয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের মতে, পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতজনিত জ্বালানি সংকটের পরিস্থিতিতে ভর্তুকি ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ, দ্রুত এবং অপব্যবহারমুক্ত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রক জানিয়েছে, অনেক ক্ষেত্রে গৃহস্থালির জন্য বরাদ্দ ভর্তুকিযুক্ত এলপিজি সিলিন্ডার অসাধু উপায়ে বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে—যেমন হোটেল, রেস্তোরাঁ বা কলকারখানায় পাচার হচ্ছে। এর ফলে সাধারণ গ্রাহকরা সময়মতো গ্যাস পাচ্ছেন না এবং কৃত্রিম সংকট তৈরি হচ্ছে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, গ্রাহকরা খুব সহজেই ই-কেওয়াইসি সম্পন্ন করতে পারবেন। এর জন্য তারা জ্বালানি বিপণনকারী সংস্থাগুলির—যেমন ইন্ডিয়ান অয়েল, এইচপি বা ভারত গ্যাস—মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়াও আধার ফেসআরডি (FaceRD) অ্যাপের মাধ্যমে স্মার্টফোন থেকেই বাড়িতে বসে এই যাচাইকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যাবে।
যাঁরা চান, তাঁরা সংশ্লিষ্ট গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরের কাছেও গিয়ে আঙুলের ছাপ (ফিঙ্গারপ্রিন্ট) বা আইরিস স্ক্যানের মাধ্যমে বায়োমেট্রিক যাচাইকরণ করতে পারবেন। তবে মন্ত্রক স্পষ্ট করেছে, এই প্রক্রিয়ার জন্য ডিস্ট্রিবিউটরের কাছে যাওয়া বাধ্যতামূলক নয়—অ্যাপের মাধ্যমেই সহজে কাজটি করা সম্ভব।
সরকারের তরফে সতর্ক করা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ই-কেওয়াইসি সম্পূর্ণ না করলে এলপিজি রিফিল পেতে সমস্যা হতে পারে। এমনকি ভর্তুকিও সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হতে পারে।
এই নতুন নিয়মের মূল লক্ষ্য হলো এলপিজি সরবরাহ ব্যবস্থাকে সুশৃঙ্খল করা, কালোবাজারি রোধ করা এবং প্রকৃত গ্রাহকদের কাছে নিরবচ্ছিন্নভাবে গ্যাস পৌঁছে দেওয়া।
❤ Support Us





