- এই মুহূর্তে দে । শ
- মার্চ ১৭, ২০২৬
সরকারি কাজের সঙ্গে জড়িয়ে ফেলা যাবে না রাজনীতি, আদর্শ আচরণবিধি লাগু করে কড়া নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের
নির্দেশিকায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে উঠে এসেছে— সরকারি কাজের সঙ্গে রাজনৈতিক প্রচার কোনোভাবেই মিশিয়ে ফেলা যাবে না। কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, কোনো রাজনৈতিক দল সরকারি ভবন, যানবাহন বা অন্য কোনো সরকারি সম্পদের অপব্যবহার করতে পারবে না। সরকারি অর্থে কোনো ধরনের বিজ্ঞাপনও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মন্ত্রীদের ক্ষেত্রেও কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা তাঁদের সরকারি দায়িত্ব পালনের সময় নির্বাচনী প্রচার চালাতে পারবেন না। এমনকি নির্বাচনী কাজে সরকারি গাড়ি, নিরাপত্তা বা অন্যান্য সুবিধাও ব্যবহার করা যাবে না।
যদিও প্রতি নির্বাচনের সময় এ ধরনের নির্দেশিকা জারি করা হয়, তবুও নিয়ম ভাঙার অভিযোগ প্রায়ই ওঠে। তাই এবারে কমিশন আরও কড়াভাবে সব পক্ষকে তাদের দায়িত্ব স্মরণ করিয়ে দিয়েছে। নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ জানানোর জন্য সাধারণ নাগরিকদের জন্যও ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ‘সি-ভিজিল’ অ্যাপ এবং কমিশনের কলসেন্টার নম্বর ১৯৫০-তে দিনের যেকোনও সময় অভিযোগ জানানো যাবে। এছাড়া নজরদারি জোরদার করতে কমিশন পাঁচটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে মোট ৫,১৭৩টি ফ্লাইং স্কোয়াড এবং ৫,২০০টি স্ট্যাটিক সার্ভেল্যান্স টিম (এসএসটি) মোতায়েন করেছে। এই দলগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, প্রাপ্ত অভিযোগ ১০০ মিনিটের মধ্যে খতিয়ে দেখতে হবে।
নির্দেশ অনুযায়ী, রাজনৈতিক দলগুলিকে সভা বা মিছিলের আগে পুলিশকে জানাতে হবে, যাতে নিরাপত্তা ও যান চলাচলের ব্যবস্থা করা যায়। লাউডস্পিকার ব্যবহারের ক্ষেত্রেও আলাদা অনুমতি নিতে হবে। কোনও মাঠ বা হেলিপ্যাড ব্যবহারের জন্য ‘ইসিআইনেট’ অ্যাপের ‘সুবিধা’ পোর্টালে আবেদন করতে হবে, যা ‘ফার্স্ট কাম ফার্স্ট সার্ভ’ ভিত্তিতে অনুমোদিত হবে। অন্যদিকে, প্রশাসন ও পুলিশের উদ্দেশে কমিশনের স্পষ্ট বার্তা—নিরপেক্ষভাবে আদর্শ আচরণবিধি কার্যকর করতে হবে এবং সব রাজনৈতিক দলের প্রতি সমান আচরণ করতে হবে। এর ব্যতিক্রম হলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
❤ Support Us






