Advertisement
  • মা | ঠে-ম | য় | দা | নে
  • জুলাই ৬, ২০২৬

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়ের মুখোমুখি ইংল্যান্ড

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়ের মুখোমুখি ইংল্যান্ড

রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে মেক্সিকোকে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গেল ইংল্যান্ড। শেষ ৪৬ মিনিট ১০ জনে খেলেও দুর্দান্ত জয় ইংল্যান্ডের। জোড়া গোল করে ইংল্যান্ডের জয়ের নায়ক জুড বেলিংহাম। পেনাল্টি থেকে একটা গোল করেন হ্যারি কেন।
ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে চলতি বিশ্বকাপে একটাও গোল হজম করেনি মেক্সিকো। এদিন ম্যাচের ৩৬ মিনিটে সেই রেকর্ড আর অক্ষত থাকল না। ৯৮ সেকেন্ডের ব্যবধানে ২ গোল করে জুড বেলিংহামের ‘‌মেক্সিকান দূর্গ’‌ ভেঙে খানখান। পরে দুর্দান্ত লড়াই করে ম্যাচেও ফিরে এসেছিল মেক্সিকো। কিন্তু শেষরক্ষা করতে পারেনি।
বজ্রপাতের আশঙ্কা থাকায় ম্যাচ একঘন্টা পিছিয়ে দেওয়া হয়। আক্রমণ প্রতিআক্রমণে শুরু থেকেই ম্যাচ জমে ওঠে। এবারের বিশ্বকাপের ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হওয়ার আগে একটাও গোল হজম করেনি মেক্সিকো। ৩৬ মিনিটে তাদের সেই প্রতিরোধ ভেঙে যায়। স্রোতের বিপরীতে দুর্দান্ত এক প্রতিআক্রমণ থেকে গোল। ডেকলান রাইস বল এগিয়ে নিয়ে ডান প্রান্তে থাকা বুকায়ো সাকাকে বাড়ান। সাকার সেন্টার ডাইভিং হেডে বল জালে জড়িয়ে দেন বেলিংহ্যাম। এক মিনিটের ব্যবধানে আবার গোল। সেন্টারের পরপরই বল কেড়ে নিয়ে অ্যান্ডারসন পাস দেন হ্যারি কেনকে। হ্যারি কেন বক্সের ভেতরে জুড বেলিংহামকে নিখুঁতভাবে বাড়িয়ে দেন। ডান পায়ের জোরালো শটে দ্বিতীয় গোলটি করেন বেলিংহাম।
ম্যাচে ফিরে আসার জন্য এরপর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে মেক্সিকো। ইংল্যান্ড রক্ষণকে বারবার কাঁপাতে থাকেন রাউল জিমিনেজ, জুলিয়ান কুইনোনেসরা। ফলও মেলে। ৪২ মিনিটেই ব্যবধান কমায় মেক্সিকো। ফ্রিকিক থেকে ভেসে আসা বল ফাঁকায় পেয়ে যান কুইনোনোস। তাঁর জোরালো শট জালে জড়িয়ে যায়। এই গোলের পরপরই সমতা ফেরানোর সুযোগ এসেছিল রাউট জিমেনেজের সামনে। দুটি প্রচেষ্টা দারুণভাবে আটকে দেন ইংল্যান্ড গোলকিপার জর্ডান পিকফোর্ড।
দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণ প্রতিআক্রণে ম্যাচ জমে ওঠে। ৪৯ মিনিটে হ্যাটট্রিক পেয়ে যেতেন জুড বেলিংহাম। তাঁর শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। এরপরই ধাক্কা খায় ইংল্যান্ড। মেক্সিকোর গ্যালার্ডোকে বাজে ট্যাকেল করেন জ্যারেল কোয়ানসা। ভিএআর পর্যালোচনা করে তাঁকে লাল কার্ড দেখান রেফারি। ১০ জনের দলে পরিণত হয় ইংল্যান্ড। ইংল্যান্ডকে তখন আরও চেপে ধরে মেক্সিকে। এরই মধ্যে খেলার বিপরীতে ব্যবধান বাড়ায় ইংল্যান্ড। ৬০ মিনিটে বক্সের ভেতরে ইংল্যান্ড উইঙ্গার অ্যান্থনি গর্ডনকে ফাউল করেন মেক্সিকোর গোলকিপ রাউল রাঙ্গেল। পেনাল্টি থেকে গোল করে ব্যবধান ৩–১ করেন হ্যারি কেন।
কেনের ভুলেই ৬৮ মিনিটে ব্যবধান কমায় মেক্সিকো। নিজেদের বক্সে বল দখলের লড়াইয়ে ব্রায়ান গুতিয়েরেজকে ফাউল করেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক। রেফারি ভিএআর পর্যালোচনা করে পেনাল্টির নির্দেশ দেন। পেনাল্টি থেকে গোল করে ৩–২ করেন রাউল জিমেনেজ। শেষদিকে ইংল্যান্ডের ওপর চাপ বাড়ায় মেক্সিকো। একের পর এক সুযোগ তৈরি করেন জিমেনেজ–কুইনোনেসরা। কিন্তু ইংল্যান্ড রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় তিনকাঠি ভেদ করতে পারেননি। শেষপর্যন্ত রুদ্ধশ্বাস ম্যাচ জিতে শেষ আটে পৌঁছে যায় ইংল্যান্ড।

  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!