Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৫

‘ভ্রান্ত প্রচার আর প্রস্তুতির অভাব।’ মহাকুম্ভ নিয়ে মমতার বক্তব্যকে সমর্থন শঙ্করাচার্যের।আত্মপক্ষ সমর্থনে তথ্যপেশ যোগীর

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
‘ভ্রান্ত প্রচার আর প্রস্তুতির অভাব।’ মহাকুম্ভ নিয়ে মমতার বক্তব্যকে সমর্থন শঙ্করাচার্যের।আত্মপক্ষ সমর্থনে তথ্যপেশ যোগীর

মহাকুম্ভ পরিণত হয়েছে মৃত্যু কুম্ভে, বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে ঘিরে সমালোচনার ঝড় তুলেছে পদ্মশিবির । তারই পাল্টায় এবার মমতা বন্দোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়ালেন শঙ্করাচার্য স্বামী অভিমুক্তিস্বরানন্দ । উত্তরাখন্ডের জ্যোতিষ পিঠের ৪৬ তম শঙ্করাচার্য বলেছেন, কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষপাত না করেই বলছি, মহাকুম্ভের মতো এই বিশাল আয়োজনকে সামাল দেওয়ার মতো প্রস্তুতি যোগী সরকারের ছিল না ।

সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘ শুরু থেকেই উত্তরপ্রদেশের প্রশাসন মিথ্যা ছড়াচ্ছেন । ১৪৪ বছর পর মহাকুম্ভ, এই দাবি ভিত্তিহীন । প্রতি ১২ বছর অন্তর এই পূণ্যস্নান হয় । কিন্তু এই আয়োজনের ক্ষেত্রে যাথাযথ প্রস্তুতি নেয়নি উত্তরপ্রদেশের সরকার । বিপুল ভক্ত সমাগমকে নিয়ন্ত্রন করার মতো আগাম প্রস্তুতির খামতি ছিল । উত্তরাখন্ডের জ্যোতিষ পিঠের বর্তমান শঙ্করাচার্য এপ্রসঙ্গে বলেছেন, ‘প্রয়াগরাজে যেতে গিয়ে ৩০০ কিলোমিটারে তীব্র যানজটের সম্মুখীন হতে হয়েছে পূণ্যার্থীদের । এটা অব্যবস্থা নয় তো কি ? স্নান করতে গিয়ে ২০ থেকে ২৫ কিম দীর্ঘ পথ, পায়ে হেঁটে অতিক্রম করতে হচ্ছে ।’ পাশাপাশি জলদূষণ নিয়ে বিজ্ঞানীদের তথ্য উত্থাপন করে তিনি বলেছেন, ‘এই জলে স্নান এবং পানের অযোগ্য, কিন্তু সে রাজ্যের সরকার প্রচারে তা পরিশ্রুত বলে দাবি করছেন । গঙ্গার জল পরিশ্রুত রাখার দায়িত্ব প্রশাসনের । হয় রাজ্য প্রশাসন দূষিত নালার জল গঙ্গার মূল স্রোতে মেশার আগে আটকাবেন, যাতে পূর্ণার্থীরা স্নানের জন্য পরিশ্রুত জল পান । নইলে এমন অনুষ্ঠান আয়োজন করা উচিত নয় বলেই মন্তব্য করেছেন স্বামী অভিমুক্তিস্বওয়ারনন্দ । তাঁর অভিযোগ, বিপুল আয়োজনের ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় পেলেও প্রশাসকরা তাদের ভূমিকা পালন করেননি । কুম্ভে দুর্ঘটনায় পুর্ণ্যার্থীদের মৃত্যু নিয়েও মিথ্যা তথ্য দিচ্ছে উত্তরপ্রদেশের রাজ্য সরকার । এমতাবস্থায় এই অব্যবস্থা নিয়ে কেউ যদি মন্তব্য করেন, তাঁকে খন্ডন করার মতো কোনো উপায় নেই ।

যদিও উত্তরপ্রদেশের বিধানসভায় মমতা বন্দোপাধ্যায়ের মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে, সেরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, এপর্যন্ত ৫৬ কোটি মানুষ মহাকুম্ভে স্নান করেছেন । যাঁর ত্রিবেনি সঙ্গমের জল নিয়ে, মহাকুম্ভের আয়োজন প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, তাঁর আসলে পূর্ণার্থীদের বিশ্বাসে আঘাত করছেন । দুর্ঘটনায় পুন্যার্থীদের মৃত্যু নিয়ে তিনি বলেছেন, প্রয়াতদের পরিবারের প্রতি তাঁর সরকারের গভীর সমবেদনা রয়েছে । তাদের দিকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেবে তার সরকার । বিধানসভায় আত্মপক্ষ সমর্থনে তিনি বলেন, বিরোধীদের কুৎসা এবং মিথ্যাচারকে গুরুত্ব না দিয়ে গোটা দেশ স্বতস্ফূর্ত ভাবে এই মহা আয়োজনে সামিল হয়েছেন ।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!