- দে । শ
- নভেম্বর ২৮, ২০২৪
ফুলকপির প্রচুর ফলনে দর মিলছে না বাজারে, চিন্তায় কৃষকরা
বিপুল আমদানি। সেই অনুপাতে খরিদ্দার নেই। তার ফলে ফুলকপির দাম একেবারে তলানিতে। পূর্বস্থলীর ২টি ব্লক আনাজ ফলানোর জন্য বিখ্যাত। সেইসব আনাজ খুচরো ও পাইকারি বিক্রির জন্য এলাকার কালেখাঁতলা, পারুলিয়া, ফলেয়া-সহ বিভিন্ন জায়গায় গড়ে উঠেছে সবজির বাজার ও আড়ত। কলকাতা, হাওড়া, আসানসোল, শিলিগুড়ি-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিভিন্ন ধরনের আনাজ কিনতে রোজই লরি, ম্যাটাডর, পিকআপ ভ্যান নিয়ে হাজির হন ব্যবসাদাররা। ওইসব বাজারগুলিতে চক্কর দিয়ে দেখা গেল, ফুলকপির পাহাড়। সাইজ অনুযায়ী এক-একটি ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৩ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১৫ টাকায়।
জলের দর হয়ে যাওয়ায় বিক্রেতা ও চাষিদের মাথায় হাত। পাইকারদেরও তেমন সাক্ষাৎ মিলছে না। জানা গেল ৪/৫ দিন আগে যে ফুলকপির দাম ছিল ১৫ থেকে ২০ টাকা পিস, সেই ফুলকপির দাম নেমে সাড়ে ৩ টাকা থেকে ৫ টাকা হয়েছে। এর ফলে চাষিরা লোকসানের আশঙ্কা করছেন। নূরুল ইসলাম শেখ নামে এক কৃষক এবার প্রায় ৬ বিঘা জমিতে ফুলকপি চাষ করেছিলেন। খরচ হয়েছে প্রায় ২৪ হাজার টাকা। বললেন, ‘যা দর চলছে বিঘা প্রতি হাজার আষ্টেক টাকা লোকসান হবে।’ নারায়ণচন্দ্র ঘোষ নামে এক কৃষক এদিন ১৪০০ পিস ফুলকপি এনেছিলেন। অর্ধেক বিক্রি হয়েছে। তাও দর মেলেনি। বাকি কপিগুলো কী করবেন? জানালেন, ‘বাড়ি নিয়ে গিয়ে গরু-মোষকে খাইয়ে দেব।’
❤ Support Us





