Advertisement
  • এই মুহূর্তে মা | ঠে-ম | য় | দা | নে
  • জুলাই ২২, ২০২৩

‌বাংলাদেশের প্রথম মহিলা ক্রিকেটার হিসেবে সেঞ্চুরি ফারজানার।শেষ ম্যাচে নাটকীয় ড্র। সিরিজের ফল ১–১

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
‌বাংলাদেশের প্রথম মহিলা ক্রিকেটার হিসেবে সেঞ্চুরি ফারজানার।শেষ ম্যাচে নাটকীয় ড্র। সিরিজের ফল ১–১

পুরুষ ক্রিকেটেই হোক, কিংবা মহিলাদের ক্রিকেট, জেতা ম্যাচ বিপক্ষকে উপহার দেওয়ার অসংখ্য নজির আছে বাংলাদেশের। এবার সেই পথে হাঁটল ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দল। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজের শেষ ম্যাচ জেতার পরিস্থিতি থেকেও হাতছাড়া হরমনপ্রীত কাউরদের। ম্যাচ ড্র, সঙ্গে সিরিজও। নাটকীয় শেষ ম্যাচ ড্র হওয়ায় সিরিজের ফল ১–১।

ম্যাচ ড্র হলেও ইতিহাস গড়লেন বাংলাদেশ মহিলা ক্রিকেট দলের ওপেনার ফারজানা হক। বাংলাদেশের প্রথম মহিলা ক্রিকেটার হিসেবে একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সেঞ্চুরি করলেন। যদিও তাঁর সেই সেঞ্চুরি কাজে এল না। ফারজানার সেঞ্চুরির ওপর ভর করে প্রথমে ব্যাট করে বাংলাদেশ তুলেছিল ২২৫/‌৪। জবাবে ৩ বল বাকি থাকতে ভারত শেষ হয় ২২৫ রানে। শেষ ওভারে ভারতের জয়ের জন্য দরকার ছিল ৩ রান। মারুফা আখতারের প্রথম ২ বলে ২ রান ওঠে। তৃতীয় বলে আউট হন মেঘনা সিং। ফলে জেতা ম্যাচ হাতছাড়া ভারতের।

শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজ নির্ণায়ক ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। ভারতীয় বোলারদের কোনও সুযোগই দেননি বাংলাদেশের দুই ওপেনার শামিমা সুলতানা ও ফারজানা হক। ওপেনিং জুটিতে দুজনে তোলেন ৯৩। ২৭ তম ওভারের দ্বিতীয় বলে শামিমাকে তুলে নেন স্নেহ রানা। ৭৮ বলে ৫২ রান করে আউট হন শামিমা।

শামিমা আউট হওয়ার পর ফারজানার সঙ্গে জুটি বেঁধে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যান অধিনায়ক নিগার সুলতানা। তাঁকেও তুলে নেন স্নেহ রানা। ৩৬ বলে ২৪ রান করে আউট হন নিগার সুলতানা। রিতু মনি রান পাননি। এরপর ফারজানা ও সোভানা মোস্তারি বাংলাদেশকে ২০০ রানের গন্ডি পার করে দেন। ইনিংসের একেবারে শেষ বলে রান আউট হন ফারজানা হক। শেষ বলে আউট না হলে পুরো ৫০ ওভার ব্যাট করার নজির গড়তেন বাংলাদেশের এই ওপেনার। সেটাও একটা রেকর্ড হত। ১৬০ বলে ১০৭ রান করেন ফারজানা। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ৪ উইকেটে ২২৫ রান তোলে বাংলাদেশ। ২৩ রান করে অপরাজিত থাকেন সোভানা।

জয়ের জন্য ২২৬ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই শেফালি ভার্মার (‌৪)‌ উইকেট হারায় ভারত। যস্তিকা ভাটিয়াও (‌৫)‌ রান পাননি। এরপর ভারতকে টেনে নিয়ে যান স্মৃতি মানধানা ও হারলিন দেওল। দুজনের জুটিতে ওঠে ১০৭ রান। স্মৃতি মানধানাকে (‌৮৫ বলে ৫৯)‌ তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন ফাহিমা খাতুন। ১০৮ রান করে রান আউট হন হারলিন দেওল। হরমনপ্রীত কাউর (‌১৪)‌, দীপ্তি শর্মা (‌১)‌, আমনজ্যোত কাউররা (‌১০) রান পাননি। ৪৮ তম ওভারে ১ বলের ব্যবধানে স্নেহ রানা (‌০)‌ ও দেবিকা বৈদ্যকে (‌০)‌ তুলে নিয়ে ‌ভারতকে চাপে ফেলে দেন নাহিদা আখতার।
১২ বলে ভারতের জয়ের জন্য দরকার ছিল ৯ রান। ৪৯ তম ওভারে সুলতানা খাতুনের বলে ওঠে ৬ রান। শেষ ওভারে ভারতের প্রয়োজন ছিল ৩ রান। মারুফা আখতারের প্রথম ২ বলে আসে ২ রান। তৃতীয় বলে মেঘনা সিংকে (‌৬)‌ তুলে নেন মারুফা। ৪৯.‌৩ ওভারে ভারত তোলে ২২৫। ম্যাচ টাই হয়ে যায়। জেমিমা রডরিগেজ ৪৫ বলে ৩৩ রান করে অপরাজিত থাকেন। নাহিদা আখতার ৩৭ রানে ৩ উইকেট নেন। ২টি উইকেট নেন মারুফা আখতার।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!