Advertisement
  • দে । শ
  • জুন ১৯, ২০২৫

কাঁধে করে তরুণীকে হাসপাতালে, শেষরক্ষা হল না

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
কাঁধে করে তরুণীকে হাসপাতালে, শেষরক্ষা হল না

দুর্গাপুরে ডাক্তার দেখিয়ে হাওড়া থেকে মালদা ফেরার পথে গভীর রাতে ট্রেনের মধ্যেই অসুস্থ হয়ে পড়ে চন্দনা মণ্ডল নামে তরুণী। তড়িঘড়ি নামানো হয় অম্বিকা কালনা স্টেশনে। মাঝরাতে গাড়িঘোড়া কিছু না মেলায় সংজ্ঞাহীন চন্দনাকে কাঁধে তুলে নেন সহযাত্রী যুবক নূর আলম শেখ। কিছুটা সেইভাবে যাওয়ার পর পুলিশের টহলদারি গাড়ির দেখা মেলে। তবে পুলিশের গাড়িতে চাপিয়ে হাসপাতাল পৌঁছনোর আগেই সব শেষ। চন্দনাকে পরীক্ষা করে ডাক্তাররা মৃত বলে ঘোষণা করেন। নূর আলমের হতাশা, ‘এত কষ্ট করেও লাভতো কিছুই হল না। ভাল লাগত, যদি মেয়েটা প্রাণে বাঁচত।’
জানা গেল, মালদার রতুয়া থানার শামসির ভালুকা রোড এলাকার বাসিন্দা ১৮ বছর বয়সী চন্দনা। তার পরিবার কর্মসূত্রে গুড়গাঁওতে থাকে। সেখানকার একটি স্কুলে দ্বাদশের ছাত্রী ছিল চন্দনা। দীর্ঘদিন ধরেই হার্টের অসুখে ভুগছিল। চন্দনাকে কলকাতা থেকে ডাক্তার দেখিয়ে কাটিহার এক্সপ্রেসে মালদা ফিরছিলেন তার মা ও জামাইবাবু। ব্যান্ডেল-কাটোয়া রেলপথের ত্রিবেণী স্টেশন পেরোনোর পর আচমকা তীব্র শ্বাসকষ্ট শুরু হয় চন্দনার। এই অবস্থায় কী করবেন, ভেবে উঠতে পারছিলেন না চন্দনার মা ও জামাইবাবু। ওই কামরাতেই ছিলেন নূর আলম শেখ নামে এক যুবক। তিনিও এক আত্মীয়াকে ডাক্তার দেখিয়ে একই ট্রেনে ফিরছিলেন। তখন ওই যুবকই মুশকিল আসান হয় চন্দনার পরিবারের। মেয়েকে ফিরে না পেলেও নূর আলমের প্রতি কৃতজ্ঞ চন্দনার পরিবার।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!