Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৫

পুজোর মুখে বাংলার জন্য ‘নেক্সট জেন জিএসটি’— কলকাতায় ঘোষণা কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনের

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
পুজোর মুখে বাংলার জন্য ‘নেক্সট জেন জিএসটি’— কলকাতায় ঘোষণা কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনের

পুজোর ঠিক আগে বাংলার মধ্যবিত্তের পকেটে কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়েছে কেন্দ্র সরকার। আগামী ২২ সেপ্টেম্বর দেশ জুড়ে কার্যকর হচ্ছে সংশোধিত জিএসটি ব্যবস্থা। বৃহস্পতিবার কলকাতার জাতীয় গ্রন্থাগারের ভাষা ভবনে ‘নেক্সট জেন জিএসটি’ শীর্ষক আলোচনাসভায় এসে কেন্দ্র সরকারের ‘বঙ্গপ্রীতি’ প্রসঙ্গে আবারো সে ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন।

এ দিন দুপুরে কলকাতা বিমানবন্দরে অবতরণের পর তাঁকে স্বাগত জানান রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। সেখান থেকে সরাসরি ন্যাশনাল লাইব্রেরি। ভরা অডিটরিয়ামে তাঁর সঙ্গে ছিলেন বাণিজ্য শাখার আহ্বায়ক বৈশাখী ডালমিয়া, অর্থনীতিবিদ তথা বিধায়ক অশোক লাহিড়ী, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার, প্রাক্তন রেলমন্ত্রী দীনেশ ত্রিবেদী, প্রাক্তন সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত, প্রাক্তন রাজ্যপাল তথাগত রায়-সহ একাধিক বিশিষ্টজন। ভরা সভায় অর্থমন্ত্রী এ দিন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ইচ্ছাতেই ঠিক হয়েছে, মহালয়ার পর মাতৃপক্ষের সূচনায় কার্যকর হবে নেক্সট জেন জিএসটি। বাংলার মানুষের সবচেয়ে বড়ো উৎসব দুর্গাপুজোয় যাতে কেনাকাটায় স্বস্তি মেলে, সে কথাই ভেবে দিনক্ষণ বেছে নেওয়া হয়েছে।’ নির্মলার কথায়, নতুন ব্যবস্থায় থাকছে মাত্র দুটি স্তর— ৫ এবং ১৮ শতাংশ। বিলাসবহুল দ্রব্যের ক্ষেত্রে কর হবে ৪০ শতাংশ। পাশাপাশি বহু প্রয়োজনীয় সামগ্রীতে জিএসটি পুরোপুরি তুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমবে। যা সরাসরি উপকার দেবে দেশের ১৪০ কোটি মানুষকে। ‘সকাল থেকে রাত পর্যন্ত যে সব পণ্যের সঙ্গে আমাদের জীবন জড়িত, সেগুলির দামই নেমে আসবে। শহর থেকে গ্রাম, নারী থেকে পুরুষ— সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষ লাভবান হবেন’— বললেন অর্থমন্ত্রী।

এদিন, বাংলার শিল্প ও কৃষিজ পণ্যের বিশেষ সুবিধার কথাও এ দিন তুলে ধরেন তিনি। শান্তিনিকেতনের চর্মশিল্প, বাঁকুড়ার টেরাকোটা, পুরুলিয়ার ছৌ মুখোশ, দক্ষিণ দিনাজপুরের কুশমণ্ডীর ক্ষুদ্রশিল্প, বর্ধমানের শোলা, নকশিকাঁথা, মালদহের আম, দার্জিলিংয়ের চা— সব কিছুর উপর কর কমে আসছে ৫ শতাংশ স্তরে। চটের ব্যাগ, হোসিয়ারি ও পোশাক শিল্পও সমানভাবে লাভবান হবে। গত স্বাধীনতা দিবসের ভাষণেই প্রধানমন্ত্রী ইঙ্গিত দিয়েছিলেন জিএসটি সংস্কারের। সেপ্টেম্বরে কাউন্সিল বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর তা কার্যকর হচ্ছে ২২ তারিখ থেকে। অর্থনীতিবিদদের মতে, পুজোর আগে জিএসটি হারে এ পরিবর্তন বাংলার ক্রেতাদের কাছে বড়ো স্বস্তি নিয়ে আসবে। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে বঙ্গবিজেপির ভোট-হাতিয়ারও হয়ে উঠতে পারে।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!