Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • আগস্ট ২২, ২০২৫

‌হিমন্ত বিশ্ব শর্মার বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করার অভিযোগ, সাংবাদিকের বিরুদ্ধে এফআইআর আসামে

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
‌হিমন্ত বিশ্ব শর্মার বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করার অভিযোগ, সাংবাদিকের বিরুদ্ধে এফআইআর আসামে

আসাম সরকারকে উপহাস ও মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক রাজনীতি অভিযোগ তোলায় সাংবাদিক এবং ইউটিউবার অভিসার শর্মার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে গুয়াহাটি পুলিশ। ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, ২০২৩–এর ১৫২, ১৯৬ এবং ১৯৭ ধারার অধীনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাঁকে আজ হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অভিসার শর্মা ইউটিউবে একটা ভিডিও আপলোড করেছেন। যে ভিডিওতে তিনি আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করার অভিযোগ তুলেছেন। অভিসার শর্মা ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে বলেছেন, ‘‌আসামের মুখ্যমন্ত্রী প্রতিনিয়ত সাম্প্রদায়িক বিষ ছড়াচ্ছেন এবং হিন্দু–মুসলিম বিষয় উত্থাপন করছেন।’‌ এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পরই গণেশগুড়ির নয়নপুরের বাসিন্দা অলোক বড়ুয়া সাংবাদিক অভিসার শর্মার নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর দাবি, এই ভিডিওটি বিভিন্ন ধর্মীয় গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা বৃদ্ধি করবে এবং সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য ক্ষতিকর। অলোক বড়ুয়া আরও দাবি করেছেন, কেন্দ্র এবং আসামে নির্বাচিত সরকারকে অসম্মান করার উদ্দেশ্যে এই মন্তব্য করেছেন অভিসার শর্মা। তাঁর এই মন্তব্য সাম্প্রদায়িক অনুভূতি উস্কে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
অলোক বড়ুয়া বলেন, ‘‌অভিসার শর্মা রাজ্যের নীতিকেও উপহাস করেছেন এবং দাবি করেছেন যে সরকার কেবল হিন্দু–মুসলিম মেরুকরণের ওপর নির্ভর করেই টিকে আছে। তাঁর মন্তব্য অবমাননাকর। যার ফলে ভারতের সার্বভৌমত্ব, ঐক্য এবং অখণ্ডতা বিপন্ন হয়েছে।’‌ তিনি আরও বলেন, ‘‌আসামের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক রাজনীতি এবং ধর্মের ভিত্তিতে বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা প্রচারের অভিযোগ করেছেন অভিসার শর্মা, যা সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য ক্ষতিকর। রাম রাজ্যের নীতিকেও তিনি উপহাস করছেন।’‌
এফআইআরে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, অভিযোগকারীর এলাকায় ভিডিওটি নিয়ে তুমুল আলোচনা হচ্ছে। এই ভিডিও দেখার পর লোকেরা ধর্মভিত্তিক বিভাজনের কথা বলছে, যা জনসাধারণের শান্তি ও সম্প্রীতি বিঘ্নিত করতে পারে। অভিযোগকারী অলোক বড়ুয়ার দাবি, অভিষেক শর্মার সংঘটিত অপরাধ ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ধারা ১৫২, (ভারতের সার্বভৌমত্ব, ঐক্য এবং অখণ্ডতাকে বিপন্ন করে এমন কার্যকলাপকে অপরাধী করে তোলে), ১৯৬ (ধর্ম, জাতি, জন্মস্থান, বাসস্থান, ভাষা, বর্ণ বা সম্প্রদায়ের ভিত্তিতে বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা প্রচারের অপরাধ) এবং ১৯৭ (জাতীয় সংহতির জন্য ক্ষতিকর অভিযোগ এবং দাবির সাথে মোকাবিলা)–এর অধীনে শাস্তিযোগ্য। গুয়াহাটি পুলিশ মামলা দায়ের করে অভিসারকে থানায় হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!