- এই মুহূর্তে দে । শ
- জানুয়ারি ৬, ২০২৬
প্রয়াত প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও অলিম্পিক সংস্থার সভাপতি তথা প্রবীণ কংগ্রেস নেতা সুরেশ কালমাদি
মারা গেলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং প্রবীণ কংগ্রেস নেতা সুরেশ কালমাদি। বয়স হয়েছিল ৮১ বছর। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি অসুস্থ ছিলেন। পুনের দীনানাথ মঙ্গেশকর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল কালমাদিকে। আজ ভোর সাড়ে ৩টে নাগাদ তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। কালমাদির মরদেহ আজ দুপুর ২টো পর্যন্ত এরান্ডওয়ানের কালমাদি হাউসে রাখা হবে। পুনের বৈকুণ্ঠ শ্মশানে বিকেল সাড়ে ৩টে নাগাদ শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।
১৯৪৪ সালের ১ মে জন্মগ্রহন করেন সুরেশ শামরাও কালমাদি। ১৯৬০ সালে কালমাদি জাতীয় প্রতিরক্ষা অ্যাকাডেমিতে (এনডিএ) যোগদান করেন। এরপর তিনি ভারতীয় বিমান বাহিনীতে পাইলট হিসেবে কমিশন লাভ করেন। ১৯৬৪ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত তিনি পাইলট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর তিনি ১৯৭২ থেকে ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত এনডিএতে বিমান বাহিনী প্রশিক্ষণ দলে প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বিমান বাহিনী থেকে স্কোয়াড্রন লিডার হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন। এরপর তিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস দলে যোগদান করে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন।
পুনে লোকসভা নির্বাচনী এলাকা থেকে কংগ্রেসের টিকিটে দুবার সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন সুরেশ কালমাদি। একসময় কংগ্রেস সরকারের রেল প্রতিমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন। রাজনৈতিক কর্মজীবনের পাশাপাশি ক্রীড়া প্রশাসক হিসেবেও পরিচিত ছিলেন কালমাদি। তিনি দীর্ঘদিন ভারতীয় অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ২০১০ সালে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বব্যাপী ইভেন্ট কমনওয়েলথ গেমসের আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যানও ছিলেন।
কমনওয়েলথ গেমসে দুর্নীতির অভিযোগে কালমাদি বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। কমনওয়েলথ গেমসের চুক্তি সংক্রান্ত মামলাটি ১৫ বছর ধরে চলে। ২০২৫ সালের এপ্রিলে দিল্লির এক আদালত কালমাদি, তৎকালীন মহাসচিব ললিত ভানোট এবং অন্যান্যদের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের মামলায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) ক্লোজার রিপোর্ট গ্রহণ করে। কালমাদি এবং আরও বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে গেমসের দুটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি সংক্রাম্ত ব্যাপারে দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছিল।
২০১১ সালের এপ্রিল মাসে সিবিআই কালমাদিকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেফতারের পর কংগ্রেস তাঁকে দল থেকে বরখাস্ত করে। তাকে দিল্লির তিহার জেলে রাখা হয়। ১৪১ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত কালমাদি ১০ মাস তিহার জেলে কাটান। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল যে তিনি ১৪১ কোটি টাকা ব্যয়ে গেমসের জন্য টাইমিং–স্কোরিং–রেজাল্ট সিস্টেমের জন্য চুক্তি প্রদান করে সুইস টাইমকিপিংকে সমর্থন করেছিলেন।
❤ Support Us






