- এই মুহূর্তে দে । শ
- জুলাই ১, ২০২৩
ফ্রান্সে অশান্তি অব্যাহত।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ৪৫,০০০ সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত মাঁক্রো প্রশাসনের
হিংসায় জ্বলছে প্রেমের দেশ ফ্রান্স। পরিস্থিতি সামলাতে ৪৫,০০০ সেনা মোতায়েন করেছে সে দেশের সরকার। চারদিনের গোলমালে এখনো পর্যন্ত ৪৯২টি নির্মাণ কাঠামো ও ২০০০ গাড়ি পোড়নো হয়েছে। ৩৮৮০ টি জায়গায় লাগাণ হয়েছে আগুন। বিক্ষুব্ধ জনতাকে ঠেকাতে ব্যর্থ পুলিশ প্রশাসন । তাই ব্যাপক সংখ্যায় সেনা সমাবেশ ঘতাতে বাধ্য হল মাঁক্রো সরকার। রাষ্ট্রপতি ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন, কিশোরের মৃত্যু অবাঞ্ছিত। ঘটনায় জড়িত পুলিশ আধিকারিককে আটক করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও থামছে না গণরোষের ক্ষমাহীন বহিঃপ্রকাশ।
১৭ বছরের আলজেরিয় তরুণের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সমগ্র ফ্রান্সে এখন নৈরাজ্যের পরিস্থিতি। ‘দ্য পুলিশ কিলস’ শ্লোগান তুলে জায়গায় জায়গায় বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন ক্ষিপ্ত জনতা। ইট ছুঁড় শহরের একাধিক ভেঙে দেওয়া হয় বহুতলের কাঁচ। চলছে লুঠপাটও। তাঁদের অভিযোগ, জাতিগত বৈষম্যের কারণেই গুলি চালিয়েছে পুলিশ। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে দেশের বিভিন্ন বড়ো মাপের অনুষ্ঠান বন্ধ করবার নির্দেশ দিয়েছেন সে দেশের প্রধানমন্ত্রী এলিজাবেথ বর্ন। সরকারের তরফে আতসবাজির বিক্রি বন্ধ করার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
ফ্রান্সে প্রচুর আলজেরিয় ও মরক্কোর আরবি জাতিগোষ্ঠীর মানুষ রয়েছেন। অনেকেই রয়েছেন শরণার্থী শিবিরে। তাদের ওপর অত্যাচারের ঘটনাও বিরল নয়। সন্তানের হত্যার ঘটনায় তার মা-র প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছেন, তিনি পুলিশকে সার্বিকভাবে দায়ী বলে মনে করেন না। তিনি সেই ব্যক্তির শাস্তি চান। যিনি আরবদের মতো দেখতে বলে তাঁর কোল থেকে সন্তানকে কেড়ে নিয়েছেন। জাতিপুঞ্জের পক্ষ থেকেও জাতিবিদ্বেষী মানসিকতার নিন্দা জানানো হয়েছে। বিবৃতি জারি করে তারা জানিয়েছেন, জাতিগত হিংসাকে সঠিকভাবে মোকাবিলা করা প্রয়োজন। দরকার হলে চাই কঠোর আইন।
❤ Support Us






