- দে । শ
- মার্চ ২৮, ২০২৩
বেসরকারি সমীক্ষায় প্রকাশ: ২০৪০এর মধ্যে জনস্ফূরণ ঘটবে বিশ্বে।২১০০ সালে কমবে বৃদ্ধির হার
২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বে জনস্ফূরণ ঘটবে।বৃদ্ধির হার সর্বাধিক হবে ২০৪০ এ। এরপর আস্তে আস্তে হ্রাস পাবে জনসংখ্যা। ২১০০ সালে এই সংখ্যা কমতে পারে। এই হিসেবে চলতি শতকের শেষে বিশ্বের জনসংখ্যা কমে দাঁড়াতে পারে ৭০ হাজার কোটিতে। সম্প্রতি গবেষকরা এই তথ্য জানিয়েছেন। ইতিমধ্যেই ওই গবেষণার রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে ‘ক্লাব অব রোম’ নামে একটি অলাভজনক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ।
এই সংস্থার গবেষকরা একটি গাণিতিক প্রক্রিয়ায় জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার অনুমান করেছেন। তাদের প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০৪০ সালে বিশ্বের জনসংখ্যা ৮৫ হাজার কোটিতে গিয়ে ঠেকতে পারে। গবেষকরা এও জানিয়েছেন, এক্ষেত্রে একাধিক শর্ত রয়েছে। যদি অসহনীয় দারিদ্র্য দূরীভূত করা যায় এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্যে ইতিবাচক নীতি রূপায়িত হয়, তাহলেই বিশ্বের জনসংখ্যা হ্রাস পেতে পারে।
কীভাবে বিশ্বের জনসংখ্যা ২১০০ সালের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হারে কমতে পারে, এর কারণ জানিয়ে ওই গবেষণা রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, জন্মহার হ্রাস থেকে শুরু করে শিক্ষাব্যবস্থা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থার উন্নতিসাধন হলে ২১০০ সালে বিশ্বের জনসংখ্যা অনেকটাই হ্রাস পাবে। এজন্য শিক্ষা ও স্বাস্থ্যক্ষেত্রে পর্যাপ্ত পরিমাণ বিনিয়োগও প্রয়োজন। এছাড়া জনস্ফীতি রুখতে দরিদ্র দেশগুলিতে অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রেও অগ্রগতি আনতে হবে।
এদিকে নতুন এই গবেষণালব্ধ রিপোর্টের সঙ্গে মিলছে না বিশ্বের জনসংখ্যা বৃদ্ধি সম্পর্কিত রাষ্ট্রসঙ্ঘের রিপোর্ট। ইতিমধ্যেই রাষ্ট্রসঙ্ঘ জানিয়েছে, ২০৫০ সালে বিশ্বের জনসংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ৯ দশমিক ৭ বিলিয়নে। এরপর ২০৮০ সালে বিশ্বের জনসংখ্যা উত্তরোত্তর বেড়ে ১০ দশমিক ৪ বিলিয়নে দাঁড়াতে পারে।
যদিও ‘ক্লাব অব রোম’-এর গবেষকদের দাবি রাষ্ট্রসঙ্ঘের থেকে আলাদা। গবেষক এবং বিশেষজ্ঞদের দাবি, বিশ্বে খাদ্য নিরাপত্তা এবং শক্তিক্ষেত্রে নিরাপত্তার জন্যে নীতির পরিবর্তন করাটা অত্যন্ত দরকারি পদক্ষেপ। এছাড়া বৈষম্য দূরীকরণ, লিঙ্গসাম্য প্রতিষ্ঠা করাও জরুরি কাজ।
❤ Support Us





