Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • জুলাই ১৭, ২০২৩

বেঙ্গালুরুর বিজেপি বিরোধী জোটের বৈঠকের প্রেক্ষিতে বাংলার বাম-কংগ্রেসের নিচুতলার কর্মীদের বিজেপিতে আসার জন্য খোলা আহ্বান জানালেন শুভেন্দু অধিকারী

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
বেঙ্গালুরুর বিজেপি বিরোধী জোটের বৈঠকের প্রেক্ষিতে বাংলার বাম-কংগ্রেসের নিচুতলার কর্মীদের বিজেপিতে আসার জন্য খোলা আহ্বান জানালেন শুভেন্দু অধিকারী

পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফলের নিরিখে রাজ্যের বাম, কংগ্রেসের অবস্থান উল্লেখ করে জাতীয়স্তরে কংগ্রেস ও সিপিএম-এর অবস্থান এবং বেঙ্গালুরুর বিজেপি বিরোধী জোটের বৈঠক সম্পর্কে সোমবার বিধানসভার বাইরে দাঁড়িয়ে নিচুতলার কংগ্রেস ও সিপিএম কর্মীদের বিজেপিতে আসার জন্য খোলাখুলি বার্তা দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু অধিকারী এদিন বলেন, “সদ্য সমাপ্ত পঞ্চায়েত নির্বাচনে নিচুতলায় কোথাও কোথাও কংগ্রেস, বাম, আইএসএফ ভালো লড়াই দিয়েছে। অবাধে নির্বাচন হলে বিজেপির যেমন আরও ২৫/৩০ হাজার আসন আমরা অনায়াসে পেতাম। পাশে পাশে কংগ্রেস, সিপিএম, আইএসএফ ও তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ নির্দলরা আরও বেশ কয়েক হাজার আসন জিততে পারতেন। তাই বুথ, অঞ্চল বা ব্লক স্তরের কংগ্রেস জাতীয় কংগ্রেসের যে লাইন অর্থাৎ মোদিজিকে হঠাও, নো ভোট টু বিজেপি এই লাইনের সঙ্গে একমত আছে বলে আমার মনে হয় না। একই ক্ষেত্রে সিপিএমের ক্ষেত্রেও তাদের নিচের তলার অনেক সমর্থক তারা পন্থা করলেও তারা এই সরকার ও সরকারি দলের দ্বারা অত্যাচারিত, নিপীড়িত, অনেকে মিথ্যা মামলায় জেল খেটেছেন, এমন কি অনেকে তার পরিবারের স্বজনকে পর্যন্ত হারিয়েছেন। স্বাভাবিকভাবে এই যে উপরতলার সেটিং , এই সেটিংএর ফলে নিচের তলায় গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে যে কংগ্রেস, সিপিএম প্রার্থীরা মনোনয়ন দিতে পারেননি, ভোট দাঁড়াতে পারেননি, যারা গণনা কেন্দ্র থেকে মার খেয়ে বেরিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছেন, জেতার পরেও সার্টিফিকেট কেড়ে নিয়ে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে, সেই নিচের তলার সমর্থকের প্রতি আমার সহানুভূতি, সমব্যথিতা আছে। তাঁদের আমার খোলা আহ্বান, আসুন , ভারতীয় জনতা পার্টির সাথে এসে লড়াই করুন। আর যদি ভারতীয় জনতা পার্টিতে আস্তে আপনাদের সুবিধা হয় তাহলে এমন একটা প্লাটফর্ম পশ্চিমবঙ্গে তৈরী করুন , যে প্লাটফর্মে দাঁড়িয়ে আপনারা অত্তাচারিনী মামারা ব্যানার্জীর ও দুর্নীতিগ্রস্থ তাঁর ভাইপোর নেতৃত্বে আপাদমস্তক দুর্নীতিগ্রস্থ এই তৃণমূল কোম্পানির বিরুদ্ধে সর্বাত্মক লড়াই করতে পারবেন এবং কার্যত নো ভোট টু মমতা এই স্লোগান আপনারা মন খুলে বলতে পারবেন। কংগ্রেস বা সিপিএম-এর প্লাটফর্মে পাটনার সভার পরে এবং আজ ও কাল বেঙ্গালুরুর পরে আপনারা যদি সোনিয়া গান্ধীর ছবি বা প্রকাশ কারাত বা সীতারাম ইয়েচুরির ছবিকে সামনে রেখে নো ভোট টু মমতা বলতে যান তাহলে পশ্চিমবাংলার মানুশ কিন্তু আপনাদের কথার ওপরে বিন্দুমাত্র বিশ্বাস করবে না। আপনাদের এই লড়াইটা একটা প্রচলিত বাক্যে পরিণত হবে, দিল্লিতে দোস্তি, বাংলায় কুস্তি। এই হাফ হার্টেড লড়াই করে পশ্চিমবাংলার এই জগদ্দল পাথরকে সরান যাবে না।”


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!