Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • নভেম্বর ১, ২০২৫

পড়শি নয়, চাল আমদানিতে ইউনূস সরকারের প্রথম পছন্দ দুবাই ! ভিন্ন চিত্র বঙ্গ সীমান্তে

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
পড়শি নয়, চাল আমদানিতে ইউনূস সরকারের প্রথম পছন্দ দুবাই ! ভিন্ন চিত্র বঙ্গ সীমান্তে

ভারত–‌বাংলাদেশ সীমান্ত বানিজ্য স্বাভাবিক রয়েছে বসিরহাটের ঘোজাডাঙা স্থল বন্দর দিয়ে। এদিনও যথারীতি ভারতীয় থেকে বিভিন্ন পণ্য রফতানি হয়েছে। চাল রপ্তানিও হয়েছে। অথচ সমাজ মাধ্যমে এবং সংবাদ মাধ্যমের একাংশে খবর ছড়িয়েছে বাংলাদেশ সরকার ভারতের রফতানি বন্ধ রেখেছে। তার পরিবর্তে সংযুক্ত আরব আমিশাহীর মরু শহর দুবাই এবং মায়ানমার থেকে চাল আমদানি করছে। এর ফলে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষকে বাড়তি টাকা গুনতে হবে চাল কিনতে গিয়ে।

সংবাদমাধ্যমের একাংশে এবং সমাজ মাধ্যমে  দাবি করা হয়েছে, ইউনুস সরকার সিদ্ধান্তেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে সে দেশে চাল আমদানির ক্ষেত্রে। সূত্রের দাবি, বাংলাদেশের খাদ্য সরবারহ দফতর আমদানি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে সরকারি ভাবে মন্তব্য না করলেও, অন্তবর্তী সরকারের সিদ্ধান্তকে মান্যতা দিয়েছে ।

এমনকী বলা হচ্ছে, মরুদেশে চালের উৎপাদন হয় না। তা ঘুরপথে ভারতের চালই মায়ানমার ঘুরে দুবাই হয়ে বাংলাদেশে যাচ্ছে। এমনও বলা হয়েছে ৫০ হাজার টন আতপ চাল এবং ৫০ হাজার সাধারণ চাল (‌ বাসমতী নয়)‌ দুবাই থেকে বাংলাদেশ আমদানি করেছে। যার মূল্য পড়েছে ৪৪৬.‌২৩ কোটি টাকা।

কিন্তু বাস্তব ছবি অন্য কথা বলছে, উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের ঘোজাডাঙা সীমান্ত দিয়ে অন্যান্য সামগ্রীর মত চালও রফতানি হয়েছে। ঘোজাডাঙা স্থলবন্দর দিয়ে সিরামিক, স্টোন চিপস, ফল, আদা, রসুন, টমাটো সহ অন্যান্য সামগ্রীর সঙ্গা চালও রফতানি হয়েছে স্বাভাবিক ভাবেই।

আমদানি রপ্তানি সংস্থা বসিরহাট এক্সপোর্টারস এন্ড ইম্পোর্টারস ওয়েলফেয়ার এ্যাসোশিয়েশনের দেওয়া তথ্য অনুসারে গত ২৩ অক্টোবর ৩৩ ট্রাক, ২৫ অক্টোবর ৩৪ ট্রাক ২৬ অক্টোবর ১৭ ট্রাক, ২৭ অক্টোবর ৩৬ ট্রাক, ২৮ অক্টোবর ১২ ট্রাক, ২৯ অক্টোবর ১৬ ট্রাক , ৩০ অক্টোবর ২৬ ট্রাক শুধু চাল গেছে। এই ক’‌দিনে ১৩৯১ টি অন্যান্য ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাক বাংলাদেশে রফতানি হয়েছে। বসিরহাট এক্সপোর্টারস এন্ড ইম্পোর্টারস ওয়েলফেয়ার এ্যাসোশিয়েশনে যুক্ত আমদানি রপ্তানিকারক ব্যবসায়ীরা বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে এক্সপোর্ট–‌ইমপোর্ট ব্যবসা এখন স্বাভাবিক রয়েছে।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!