- এই মুহূর্তে দে । শ
- এপ্রিল ১৯, ২০২৩
রাষ্ট্রসংঘের সমীক্ষায় জনবিস্ফোরণের ইঙ্গিত ! দু মাসের মধ্যে চিনকে টপকে শীর্ষে ভারত
আগামী দু মাসের মধ্যে বিশ্বের সর্বাধিক জনবহুল দেশের তালিকায় চিনকে টপকে শীর্ষে চলে আসতে পারে ভারত। তিনে থাকবে আমেরিকা। যদিও তাঁদের জনসংখ্যার বিচারে এশিয়ার দুই বৃহৎ দেশের থেকে অনেক পিছনের থাকবে বলে জানিয়েছে । নিজেদের সাম্প্রতিক সমীক্ষায় জাতিসংঘের দাবি, কয়েক মাসের মধ্যে চিনের থেকে ভারতের জনসংখ্যা তিরিশ লক্ষ ছাড়িয়ে যাবে। ভারতে আন্তর্জাতিক সংঠগনের নতুন এ প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসতে জনসংখ্যা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে তা নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
চিনের বর্তমান জনসংখ্যা ১৪২.৫৭ কোটি । সমীক্ষক দলের অনুমান, খুব শীঘ্রই ১৪২.৮৬ কোটিতে পৌঁছে জিনপিং এর দেশকে পিছনে ফেলে দেবে ভারত। তাঁদের মতে, ভারত ও চিন- দুই দেশই তাঁদের সাম্প্রতিক জনসংখ্যা সম্পর্কিত কোনো তথ্য পাঠায়নি। তাই কোন তারিখে ভারত চিনের জনসংখ্যাকে অতিক্রম করে যাবে তা বলা এখন সম্ভব নয়। এখানে বলা প্রয়োজন, ২০১১ এর পর কোনো আদম শুমারি করেনি দিল্লি। ২০২১ সালে তা হওয়ার কথা থাকলেও অতিমারীর কারণে তা পিছিয়ে যায়। তাই সাম্প্রতিক তথ্য না থাকলে দু দেশের জনসংখ্যার তুল্যমূল্য বিচার সম্ভব নয়, বলে জানাচ্ছেন পরিসংখ্যানবিদরা। তবে, শেষ জনসুমারির তথ্য অনুযায়ী ভারতে প্রতি বছর ১.২ শতাংশ হারে লোকসংখ্যা বেড়েছে। অন্যদিকে, বেজিংয়ের ন্যাশনাল ব্যুরো অব স্ট্যাটিসটিক্স-তাদের প্রতিবেদনে জানায় গত ছয় দশকের মধ্যে ২০২২ সালে চিনের জনসংখ্যা প্রথম হ্রাস পেয়েছে। আর ভারতের কমবার কোনো ইঙ্গিত নেই। গত কয়েক বছরে যে দ্রুত গতিতে চিনের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমেছে, ভারতে তা হয়নি। তার ভিত্তিতেই জাতিসংঘের ধারণা, এ ব্যাপারে চিনকে পিছনে ফেলে দিতে ভারতের আর খুব বেশি দিন অপেক্ষা করতে হবে না।
জাতি সংঘের পরিসংখ্যান অনুযায়ী বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৮০০ কোটি ৪৫ লক্ষ। যার এক তৃতীয়াংশ রয়েছে ভারত ও চিনে। সমীক্ষক দলের জনৈক এক সদস্যের মতে, বেজিং জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সচেতন হলেও ভারত এখনও এব্যাপারে ততটা তৎপর নয়। এখনও দেশে এটিকে প্রগতি, উন্নয়ন ও ব্যক্তি স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে দেখা হয়। তাই জনসংখ্যা বৃদ্ধির গতিতে সরকারের পক্ষ থেকে লাগাম টানতে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয় না। পৃথিবীতে প্রাকৃতিক সম্পদের ভাণ্ডার সীমিত। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাহিদা মেটাতে গিয়ে তাতে সংকট সৃষ্টি হওয়া সময়ের অপেক্ষা। এ ব্যাপারে মানুষের সচেতনতা যেমন প্রয়োজন, দেশের সরকারেরও উদ্যোগী হওয়া প্রয়োজন। কিন্তু ভোট ভিত্তিক গণমুখী রাজনীতিতে বাস্তব সমস্যা অনেক ক্ষেত্রে উপেক্ষিত থেকে যায়। পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্রে তার ব্যতিক্রম ঘটেনি, আগামী দিনেও তেমন কিছু ঘটার সম্ভাবনা খুব কম।
❤ Support Us







