- দে । শ
- জুন ৫, ২০২৩
অস্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ ইস্যুতে এবার রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত পৌঁছল আদালতে
অস্থায়ী উপাচার্য নিয়েগ নিয়েন রাজ্য – রাজ্যপাল সংঘাত শেষ পর্যন্ত পৌঁছল আদালতে।
আচার্য তথা রাজ্যপালের অস্থায়ী উপাচার্য নিয়োগের সিদ্ধান্ত ও ক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জ করে সোমবার কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হল একটি জনস্বার্থ মামলা। এই মামলায় রাজ্য সরকারকেও পক্ষ করা হয়েছে। আগামী সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সম্প্রতি রাজ্যের ১১টি বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ করেছেন আচার্য তথা রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর দাবি, রাজ্য সরকাটের অনুমতি না নিয়েই একতরফা ভাবে উপাচার্য নিয়োগ করেছেন রাজ্যপাল যা রাজ্যে উপাচার্য নিয়োগের যে নিয়ম আছে তার পরিপন্থী এবং এই বিষয়টি নিয়ে আচার্যের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করবে রাজ্য। রাজ্য দাবি করেছিল, এই নিয়োগ নিয়ে রাজ্য-রাজ্যপাল আলোচনাও হয়ে ছিল। ব্রাত্য বসুর এই মন্তব্যের পর পালটা রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস বলেন, আলোচনা করা মানে সম্মতি নেওয়া নয়। এর পর রাজ্যপাল যাদের উপাচার্য হিসাবে নিয়োগ করেছিলেন তাঁদের ছুটিতে চলে যেতে বা পদ প্রত্যাখ্যান করতে অনুরোধ করেছিলেন ব্রাত্য বসু। কিন্তু শিক্ষামন্ত্রীর আবেদন সাড়া না দিয়ে ১০ জনই উপাচার্যের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এবার রাজ্যপালের সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন এক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক।
এর আগে প্রাক্তন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেও কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হয়েছিল মামলা। কিন্তু সেই মামলায় কর্ণপাত করেনি আদালত। রাজ্যপালের অস্থায়ী উপাচার্য নিয়োগের আগে পর্যন্ত রাজ্যের ১৪টি বিশ্ববিদ্যালয় ছিল উপাচার্যহীন।
এই প্রসঙ্গে বিরোধীরা বলছে, এই জনস্বার্থ মামলা রাজ্যের বকলমে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষককে দিয়ে করানো হয়েছে। রাজ্যপালের এই সিদ্ধান্তের জন্য রাজ্য আইনি পদক্ষেপ করবে সেটা তো ব্রাত্য বসু আগাম জানিয়েই রেখেছিলেন।
❤ Support Us





