Advertisement
  • এই মুহূর্তে বি। দে । শ
  • অক্টোবর ২০, ২০২৫

যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে আবার গাজায় হামলা চালাল ইজরায়েল, মৃত ৩৩, ত্রাণ প্রবেশও বন্ধ

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে আবার গাজায় হামলা চালাল ইজরায়েল, মৃত ৩৩, ত্রাণ প্রবেশও বন্ধ

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় প্রায় দু’‌বছর ধরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর ইজরায়েল ও হামাসের মধ্যে ‌যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। নতুন করে বাঁচার আশায় আবার নিজেদের বাসস্থানে ফিরতে শুরু করেছিল গাজাবাসী। সেই আবহেই যুদ্ধবিরতি ভেঙে গাজায় আবার হামলা চালাল ইজরায়েল। রবিবার ইজরায়েলি বাহিনীর হাংমলায় প্রায় ৩৩ জন নিহত হয়েছেন। শতাধিক মানুষ আহত। শুধু আক্রমণ হানা নয়, গাজায় ত্রাণ প্রবেশও বন্ধ করে দিয়েছে ইজরায়েল।

রবিবার সকাল থেকেই দক্ষিণ গাজায় একের পর এক বিমান হামলা চালায় ইজরায়েলি সেনা। ইজলায়েলের এক সামরিক কর্তা দাবি করেছেন, হামাসরা প্রথমে তাদের সেনাবাহিনীর ওপর হামলা চালায়। এই হামলায় রকেট, গ্রেনেড ও স্নাইপার ব্যবহার করা হয়। এর পরই ইজরায়েলি সেনা বিমান হামলা চালায়। এই হামলায় খান ইউনিসের পশ্চিমে আল–মাওয়াসি এলাকার একটা ত্রাণ শিবিরে ৩ জনেক মৃত্যু হয়েছে।মধ্য গাজা ১ সাংবাদিকসহ দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। উত্তর গাজ়াতে নিহত হয়েছেন অন্তত ৫ জন। ইজরায়েল সেনাবাহিনী অবশ্য দাবি করেছে,  হামাসের ঘাঁটি লক্ষ্য করেই তারা হামলা চালিয়েছে।

হামাসের এক শীর্ষকর্তা বলেছেন, তাঁরা যুদ্ধবিরতি মেনে চলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কিন্তু ইজরায়েল বারবার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করছে। হামাসের সশস্ত্র শাখা আল–কাসেম ব্রিগেডস রবিবার এক বিবৃতিতে বলেছে, তারা ইজরায়েলের সঙ্গে হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে চলছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘চুক্তিতে থাকা সব শর্ত বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতির কথা আবার বলছি। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল গাজা উপত্যকার সব এলাকায় যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা। আমাদের কাছে রাফায় সংঘর্ষের কোনো খবর নেই।’‌

ইরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহু গাজায় হামাসের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের জন্য হামাসকে অভিযুক্ত করেছেন। হামাসের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের পর নেতানিয়াহু প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। তিনি গাজা উপত্যকায় হামাসের ঘাঁটি লক্ষ্য করে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।

যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও রাফাসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত বন্ধ করে রেখেছে ইজরায়েল। ফলে গাজা গাজা উপত্যকায় ত্রাণ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। ইজরায়েলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আপাতত গাজায় ত্রাণ প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত গাজায় কোনও মানবিক সাহায্য প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না। তবে হামাস বলেছে, রাফা সীমান্ত বন্ধ থাকায় তাদের কাছে থাকা জিম্মিদের মরদেহ হস্তান্তর করতে অনেক দেরি হতে পারে। হামাসের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রাফা সীমান্ত বন্ধ হলে ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া নিখোঁজদের খুঁজে বের করতে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের প্রবেশ বন্ধ থাকবে। এর ফলে মরদেহ শনাক্তে ফরেনসিক টিমের প্রবেশ ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের ব্যবহার বাধাগ্রস্ত হবে।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!