- দে । শ
- জুলাই ২৮, ২০২৩
সদইচ্ছার নজির। গণ অনুদানে বঞ্চিতকে সহায় দিয়ে কথা রাখলেন জলপাইগুড়ির খড়িয়া পঞ্চায়েতের বিজয়ী বাম প্রার্থী
চিত্র: সংগৃহীত
ভোটে জিততে পারলে অসহায় বিধবার জরাজীর্ণ বাড়ি সারিয়ে দেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন জলপাইগুড়ির খড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের সিপিএম প্রার্থী। ভোটে জিতে তিনি সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করলেন। শুধু ওই একজন বিধবা বৃদ্ধাকেই নয়, আরও কয়েকজন দরিদ্র মানুষের বাড়ি বানিয়ে দিলেন এই সিপিএম জয়ী প্রার্থী। বাংলার বাড়ি প্রকল্পে কেন্দ্র টাকা দিচ্ছে না বলে যখন পঞ্চায়েত নির্বাচনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বরাবরই সরব ছিলেন । বলেছেন ১০০ দিনের টাকা আদায় করতে দিল্লি যাবেন পঞ্চায়েত নির্বাচনের পরে। তখন জলপাইগুড়িতে নিঃশব্দে গরিব বিধবা মহিলার মাথা গোঁজার জায়গা নীরবে তৈরী করে নজির গড়লেন এখানকার খড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের জয়ী সিপিএম প্রার্থী । ঝরে ভেঙে গিয়েছিল অসহায় মহিলার বাড়ি। মাথার ওপর ছাদ ছিল না এই অসহায় বিধবার। পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচারে এসে জলপাইগুড়ির খড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের পোড়াপাড়া বুথের এই সিপিএম প্রার্থী জিতলে বাড়ি করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন এই অসহায় বিধবা মহিলাকে। সেটা তিনি করে দিলেন।
এই প্রসঙ্গ সিপিএম-এর জয়ী প্রার্থী গৌরী রায়শীল বললেন, “এই বাড়িতে যিনি থাকেন ঝড়ে তাঁর বাড়ি ভেঙে যাওয়ার পর তিনি পাশের স্কুলে থাকতেন। আমাদের দেখে খারাপ লাগে। তাই আমরা ছোট,বড়ো, সবাই মিলে ওনাদের থাকার মতো একটা জায়গা করে দিচ্ছি।” গৌরী রায়শীল যখন এই কথা বলছেন তখন ওই অসহায় বিধবার বাড়ি তৈরির কাজ চলছে, আর জয়ী সিপিএম প্রার্থী সেই বাড়ি তৈরির কাজ তদারকি করছেন।
এই প্রসঙ্গে স্থানীয় সিপিএম নেতা সুবীর রায় বললেন, “আজকে এই এলাকার নব নির্বাচিত পঞ্চায়েত প্রার্থী ও এলাকার মানুষ ও সিপিএম পার্টির কর্মীরা মিলে এই অসহায় বিধবা মহিলাকে ও আরও কয়েকটি পরিবারকে বাড়ি বানিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আগে এই পঞ্চায়েতে শাসক দলের প্রতিনিধি ছিল তারা বিভিন্ন খাতে অর্থ খরচ করলেও এই বাড়িগুলো অসহায় মানুষদের জন্য করে দেননি। আমরা আমাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করলাম।”
এই কাজ প্রমাণ করছে মানুষের পাশে দাঁড়াতে সব সময় কেন্দ্রের আর্থিক বরাদ্দের টাকা না হলেও হয়। প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে লাগে সদিচ্ছা।
❤ Support Us





