Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • আগস্ট ১০, ২০২৬

বিধানসভা অভিযানে ব্যারিকেড ভাঙতেই লাঠি, জলকামান! ছাত্র বিক্ষোভে উত্তাল রাঁচী

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
বিধানসভা অভিযানে ব্যারিকেড ভাঙতেই লাঠি, জলকামান! ছাত্র বিক্ষোভে উত্তাল রাঁচী

নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম, প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং পরীক্ষাব্যবস্থায় স্বচ্ছতার দাবিতে ঝাড়খণ্ডে ছাত্র-চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলন সোমবার আরও তীব্র হলো। সরকারের সঙ্গে একাধিক দফা বৈঠকেও অচলাবস্থা কাটেনি। তার পরেই পুরনো বিধানসভা ভবন পর্যন্ত ‘বিধানসভা মার্চ’-এর ডাক দিয়েছিলেন আন্দোলনকারীরা। সকাল থেকে হাজার হাজার পড়ুয়া ও চাকরিপ্রার্থী রাঁচীর রাস্তায় নামতেই প্রশাসনের কপালে ভাঁজ পড়ে। একের পর এক ব্যারিকেড টপকে তাঁরা বিধানসভার দিকে এগোতে থাকেন। শেষ পর্যন্ত তাঁদের আটকাতে জলকামান ব্যবহার করে পুলিশ। লাঠিচার্জেরও অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু জলকামানের প্রবল তোড়েও পিছু হটেননি বিক্ষোভকারীরা।

আন্দোলনের অন্যতম মুখ, অনশনরত ছাত্রনেতা দেবেন্দ্র নাথ মাহাতোও এ দিন অ্যাম্বুল্যান্সে করে মিছিলে যোগ দেন। গত কয়েক দিন ধরে অনশন করছেন শারীরিক দুর্বলতা সত্ত্বেও অ্যাম্বুল্যান্সে করে মিছিলে এসে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শিবু সোরেনের একটি প্রতিকৃতি হাতে নিয়ে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে যোগ দেন মাহাতো। সোমবার সকাল থেকেই ঝাড়খণ্ডের বিভিন্ন জেলা থেকে ট্রেন, বাস এবং ব্যক্তিগত গাড়িতে করে চাকরিপ্রার্থী ও পড়ুয়ারা রাঁচীতে জমায়েত হতে শুরু করেন। হাতে তেরঙা, ব্যানার, প্ল্যাকার্ড। মুখে স্লোগান। তাঁদের বক্তব্য, সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় বার বার অনিয়মের অভিযোগ উঠছে। প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে পরীক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে। তাই শুধু একটি-দুটি পরীক্ষা বাতিল নয়, গোটা নিয়োগ ব্যবস্থার সংস্কার চান তাঁরা।

এ দিনের কর্মসূচি ঘিরে আগে থেকেই রাঁচীকে কার্যত নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছিল। বিধানসভা অভিমুখে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। গুরুত্বপূর্ণ মোড়, রাস্তার সংযোগস্থল এবং স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে বসানো হয় ব্যারিকেড। শহরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঠেকাতে প্রশাসনের তরফে নিষেধাজ্ঞামূলক নির্দেশও জারি করা হয়েছিল। বিক্ষোভকারীদের রাঁচীতে পৌঁছনো নিয়ন্ত্রণ করতে জেলা সীমানা, প্রধান রাস্তা ও জাতীয় সড়কে বাস এবং অন্যান্য যানবাহনে তল্লাশি চালানোর কথাও জানা যায়। সোমবার শহরের অধিকাংশ স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছিল। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, তাঁদের মিছিল আটকাতে বিভিন্ন রাস্তায় বাধা দেওয়া হয়। কিন্তু সে বাধা টপকে তাঁরা এগিয়ে যান। প্রায় আধ ঘণ্টা মিছিল চলার পরে বিধানসভা চত্বর থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে জগন্নাথ মন্দিরের কাছে মিছিল আটকে দেওয়া হয় বলে আন্দোলনকারীদের দাবি। সেখানেই বসে পড়েন তাঁরা। এর পর ফের ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা শুরু হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ জলকামান ছোড়ে। কোথাও কোথাও লাঠিচার্জও করা হয়েছে বলে অভিযোগ আন্দোলনকারীদের। তবে জলকামানের জলের তোড়ে পিছিয়ে যাওয়ার বদলে কয়েক জন ছাত্রকে তার সামনে দাঁড়িয়ে নাচতে দেখা যায়। আন্দোলনকারীদের বার্তা ছিল স্পষ্ট— দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

ঝাড়খণ্ডের ‘জেপিএসসি’ এবং ‘জেএসএসসি’-সহ বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষা ঘিরে অনিয়ম ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগই এ আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু। আন্দোলনকারীদের অন্যতম দাবি, অভিযোগগুলির নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে সিবিআই-কে দিয়ে। তাঁদের আরও দাবি, অস্বচ্ছ নিয়োগ পরীক্ষাগুলি বাতিল করতে হবে এবং পরীক্ষাপদ্ধতিতে আমূল সংস্কার আনতে হবে। নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ করতে নির্দিষ্ট পরীক্ষার ক্যালেন্ডার, কার্যকর নজরদারির ব্যবস্থার কথাও তাঁরা তুলেছেন। আন্দোলনের নেতৃত্ব রবীন্দ্র পাসোয়ানদের বক্তব্য, সিবিআই তদন্তের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা আন্দোলন থেকে সরে যাবেন না। ছাত্রনেতা সঞ্জয় মেহতাও জানিয়েছেন, তাঁদের মূল দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে নিয়োগ পরীক্ষায় সিবিআই তদন্ত, এবং পরীক্ষা ব্যবস্থার আমূল সংস্কার। তাঁর কথায়, তিনটির মধ্যে একটি দাবিও যদি সরকার না মানে, তা হলে আন্দোলন চলবে।

এদিন, আন্দোলনকারীদের তরফে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির ডাকও দেওয়া হয়েছিল। মিছিলের আগে ছাত্রনেতারা পুলিশের সঙ্গে সংঘাতে না যাওয়ার জন্য বিক্ষোভকারীদের সতর্ক করেছিলেন। দেবেন্দ্র নাথ মাহাতোও ঝাড়খণ্ডের বিভিন্ন জেলার ছাত্র, অভিভাবকদের কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, এ দিনটি ঝাড়খণ্ডের ছাত্রসমাজের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে, হেমন্ত সোরেনের নেতৃত্বাধীন সরকারের বক্তব্য, আন্দোলনকারীদের অধিকাংশ দাবিই গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হয়েছে। সরকারের দাবি, প্রায় ৯৮ শতাংশ দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে এবং তিনটি পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১৪তম ‘জেপিএসসি সিভিল সার্ভিস’-এর প্রিলিমিনারি পরীক্ষা এবং একটি ব্যাকলগ পরীক্ষা রয়েছে বলে সরকারের তরফে জানানো হয়েছে।তবে সরকারের দাবিতে সন্তুষ্ট নন আন্দোলনকারীরা। তাঁদের বক্তব্য, তাঁরা মোট ১৩টি পরীক্ষা বাতিলের দাবি করেছিলেন। সরকার মাত্র তিনটি পরীক্ষা বাতিল করতে সম্মতি দিয়েছে। ফলে ‘৯৮ শতাংশ দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে’— সরকারের এমন বক্তব্য বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে মেলে না বলেই দাবি তাঁদের।

সিবিআই তদন্তের দাবিতেও ঝাড়খণ্ড সরকার এখনো সায় দেয়নি। সরকার জানিয়েছে, পরীক্ষায় অনিয়মের অপরাধমূলক দিক খতিয়ে দেখছে রাজ্য সিআইডি। আর্থিক অনিয়ম বা বেআইনি লেনদেনের অভিযোগ থাকলে ইডি-কে তদন্তে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাজ্যের কারিগরি ও উচ্চশিক্ষামন্ত্রী সুদিব্য কুমারের বক্তব্য, সিআইডির তদন্তের তদারকিতে কোনো অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠনের প্রস্তাব সরকার দিয়েছিল। কিন্তু আন্দোলনকারীরা তাতে রাজি হননি। সরকারের তরফে আরও জানানো হয়েছে, এ মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ‘ফাস্ট ট্র্যাক আদালত’ গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে। ৯০ দিনের মধ্যে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিলের আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে।

শুধু তদন্ত নয়, নিয়োগ পরীক্ষার পদ্ধতিতেও পরিবর্তনের আশ্বাস দিয়েছে সরকার। আইআইটি, আইআইএম এবং অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করে নতুন পরীক্ষা পদ্ধতি তৈরির কথা জানানো হয়েছে। পড়ুয়ারাও যাতে তাঁদের মতামত জানাতে পারেন, তার জন্য একটি পোর্টাল চালু করা হয়েছে বলে সরকারের তরফে দাবি। ‘জেএসএসসি’-র চেয়ারম্যান প্রশান্ত কুমারও পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিয়ে সরকারের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর বক্তব্য, নথি যাচাইয়ের সময় অনেক পরীক্ষার্থীর কাগজপত্রে অসঙ্গতি বা সন্দেহ দেখা যায়। সে কারণে একাধিক বার নোটিস পাঠাতে হয়। ফলে ফল প্রকাশে দেরি হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে ধাপে ধাপে ফল প্রকাশ করতে হয়।

বড়ো পরীক্ষাগুলিকে আরও স্বচ্ছ করার জন্য নতুন ব্যবস্থার কথাও জানিয়েছেন তিনি। ৫০ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী থাকা পরীক্ষায় প্রিলিমিনারি ও মূল পরীক্ষার ব্যবস্থা কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে। পরীক্ষার্থীরা নিজেদের পাশাপাশি অন্য পরীক্ষার্থীদের ‘স্কোরকার্ড’ এবং ‘র‌্যাঙ্ক’ দেখতে পারবেন— এমন ব্যবস্থাও চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। স্বচ্ছ মেরিট লিস্ট প্রকাশের মাধ্যমে স্বচ্ছতা বাড়ানোর উদ্যোগের কথাও জানানো হয়েছে। ‘মাফিয়া’ চক্রের প্রভাব রুখতে একাধিক পরীক্ষা দু-টি ধাপে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে এবং বেশ কিছু পরীক্ষা ইতিমধ্যেই ‘কম্পিউটার বেইসড টেস্ট’ বা ‘সিবিটি’ পদ্ধতিতে নেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। এদিকে, চলমান আন্দোলনের মধ্যেই ‘জেপিএসসি’-তে বড়সড় রদবদল হয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁস, পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগের তদন্তে সিআইডি তিন কমিশন সদস্য— অজিতা ভট্টাচার্য, জামাল আহমেদ এবং অনিমা হাঁসদাকে নোটিস পাঠিয়েছিল। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছিল।

তার মধ্যেই তিন জন কমিশনের সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দেন। রাজ্যপাল সন্তোষকুমার গাঙ্গোয়ার তাঁদের পদত্যাগ গ্রহণ করেছেন। এর আগে ২২ জুলাই ‘জেপিএসসি’-র চেয়ারম্যান এল খিয়াংতেও পদত্যাগ করেছিলেন। ফলে কমিশনের ভিতরে একের পর এক পদত্যাগ আন্দোলনের মধ্যে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যদিও তদন্তের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত দায় কার, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সিআইডির তরফে জানানো হয়েছে, পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগের তদন্ত চলছে। তদন্তে কোনো ব্যক্তি দোষী প্রমাণিত হলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তদন্তে তথ্য দিতে বা অভিযোগ জানাতে সিআইডি-এর তরফে ই-মেল এবং ফোন নম্বর প্রকাশ করা হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

ছাত্রদের বিধানসভা অভিযানের পাশাপাশি সোমবার রাজনৈতিক উত্তাপও ছড়ায় রাঁচীতে। নিয়োগ পরীক্ষায় কথিত দুর্নীতির সিবিআই তদন্তের দাবিতে মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের সরকারি বাসভবনের সামনে অবস্থান-বিক্ষোভ শুরু করেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপির নেতা বাবুলাল মারান্ডি, বিজেপি নেতা আদিত্য সাহু-সহ দলের নেতা-কর্মীরা। পরে পুলিশ তাঁদের আটক করে। সাম্প্রতিক এই বিক্ষোভে বিজেপির একাধিক নেতা ও বিধায়ক আটক হয়েছেন বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। মারান্ডির অভিযোগ, গত দু-সপ্তাহ ধরে ছাত্ররা আন্দোলন করছেন। কিন্তু সরকার তাঁদের কথা শুনছে না। তাঁর বক্তব্য, নিয়োগ পরীক্ষার অনিয়মের অভিযোগে নিরপেক্ষ তদন্তের বদলে সরকার পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে। ‘জেএলকেএম’ বিধায়ক জয়রামকুমার মাহাতোও অভিযোগ করেছেন, ছাত্রদের দাবি পূরণে হেমন্ত সোরেনের সরকার ব্যর্থ হয়েছে।

অন্যদিকে, বিজেপির এই অবস্থানকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে আক্রমণ করেছে রাজ্যের কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সরকার। মন্ত্রী সুদিব্য সোনুর অভিযোগ, ছাত্রদের আন্দোলনকে ভুল পথে চালিত করার চেষ্টা করছে বিজেপি। তাঁর বক্তব্য, সরকার ইতিমধ্যেই ছাত্রদের অধিকাংশ দাবি মেনে নিয়েছে,  আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের রাস্তা খোলা রেখেছে। রবিবার রাঁচীর মোরাবাদির সরকারি অতিথিশালায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সরকারপক্ষের বৈঠকও হয়। একাধিক দফার আলোচনার পরেও কোনো সমাধানসূত্র বেরোয়নি। সরকার ফের ছাত্রদের আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন, রাজ্যপাল সন্তোষকুমার গাঙ্গোয়ারও অচলাবস্থা কাটাতে আলোচনার পথেই জোর দিয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।

কিন্তু ছাত্রদের অবস্থান এখনো অনড়। তাঁদের বক্তব্য, আলোচনার নামে শুধু আশ্বাস নয়, লিখিত এবং কার্যকর সিদ্ধান্ত চান তাঁরা। বিশেষ করে সিবিআই তদন্তের দাবিতে কোনোরকম আপস করতে নারাজ আন্দোলনকারীরা।এদিকে, সোমবারের বিধানসভা অভিযানকে ঘিরে পুলিশের প্রস্তুতি এবং আন্দোলনকারীদের অনড় মনোভাব— দুইয়ের জেরে রাঁচীতে দিনভর টানটান উত্তেজনা। এক দিকে জলকামান, ব্যারিকেড, কাঁটাতারের বেড়া; অন্য দিকে তেরঙা হাতে হাজার হাজার তরুণের মিছিল। নিয়োগ পরীক্ষায় স্বচ্ছতা এবং ভবিষ্যৎ সুরক্ষার দাবিতে আন্দোলনরত পড়ুয়াদের বক্তব্য, তাঁদের লড়াই কোনও একটি পরীক্ষা বা একটি সংগঠনের জন্য নয়— সরকারি চাকরির নিয়োগ ব্যবস্থার উপর আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!