Advertisement
  • দে । শ
  • জুলাই ৩১, ২০২৩

মণিপুরের পরিস্থিতি উদ্বেগের। মন্তব্য জেএমএম নেত্রীর। সংসদে আলোচনার দাবি করায় তুমুল হট্টগোলে

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
মণিপুরের পরিস্থিতি উদ্বেগের। মন্তব্য জেএমএম নেত্রীর।  সংসদে আলোচনার দাবি করায় তুমুল হট্টগোলে

‘ভালো নেই মণিপুর।’ উত্তর-পূর্ব সফর শেষে একথাই জানালেন ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা নেত্রী মহুয়া মাজি। সোমবার সংসদের আলোচনায় উঠে এল একই প্রসঙ্গ। সেখানেও এ বিষয়ে বক্তব্য রেখেছেন তিনি। তাকে সমর্থন জানিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন সহ অন্যান্য বিরোধীররা। বস্তুত, মণিপুর নিয়ে তাঁরা সংসদের দুই কক্ষের যৌথ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতি দাবি করেছিলেন। যা নিয়ে এদিন বিক্ষোভও দেখান তাঁরা। তুমুল হই-হট্টগোলে আপাতত ২টো পর্যন্ত সভা মুলতুবি ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

দুদিনের জন্য মণিপুরে গিয়েছিলেন  বিরোধী ইণ্ডিয়া জোটের প্রতিনিধিরা। তাঁর মধ্যে ছিলেন রাজ্যসভার সাংসদ মহুয়া মাজি।সেখানে গিয়ে বিবদমান দুই গোষ্ঠী অর্থাৎ মেইতেই ও কুকি-নাগাদের সঙ্গে দেখা করেছেন জেএম এম নেত্রী্সহ অন্যান্যরা। সেখান থেকে ফিরে আসার পর নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন তিনি। সংসদে উপস্থিত থেকে তিনি বলেছেন, দুই জাতিগোষ্ঠীর মানুষই তীব্র আতঙ্ককে সঙ্গে নিয়ে দিন যাপনে বাধ্য হচ্ছেন। রাজ্যপাল নিজেই দিশাহারা। প্রশাসন পরিস্থিতি সামলাতে ব্যর্থ। অথচ তাঁরা যখন সেখানে গিয়েছেন তাদেরকে বলা হয়েছে রাজ্যে সব কিছু শান্তিপূর্ণ অবস্থায় । যা কখনোই প্রকৃত চিত্রটা তুলে ধরে না। বাস্তব পরিস্থিতি অতীব ভয়ঙ্কর। ট্রাকের পর ট্রাক নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস আসছে, কিন্তু আর্ত অসহায় মানুষের কাছে তা পৌঁছচ্ছে না। চলে যাচ্ছে চোরাকারবারিদের হাতে। হিংসায় থামার কোনো লক্ষণ নেই। পুলিশ সেনা বহু চেষ্টা করেও রুখতে পারছে না। এককথায় ভয়াবহ অবস্থার মধ্যে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন মণিপুরবাসী। অসহায় অবস্থায় আশ্রইয় শিবিরে দিন কাটাচ্ছেন তাঁরা।

তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ ব্রায়েন বিষয়টিকে সমর্থন জানিয়ে বলেছেন, পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগের। এ ব্যাপারে সমস্ত বিরোধী দলের প্রতিনিধিরা সহমত। তাঁরা সংসদে এ নিয়ে আলোচনা চান। এখন যা অবস্থা চলছে তাতে কোনোমতেই মণিপুরের প্রসঙ্গকে ফেলে রাখা চলে না। দীর্ঘদিন ধরেই মণিপুর নিয়ে বিরোধী ইণ্ডিয়া জোটের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কেন্দ্রের টানাপোড়েন অব্যাহত। বাদল অধিবেশন শুরু হওয়ার পর এখনো পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী এ নিয়ে সরাসরি সংসদে কোনো বিবৃতি দেননি। যা নিয়ে বার বার ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিরোধীরা। ক্রমাগত বিক্ষোভের পর, অষ্টম দিনে সরকারের প্রশাসনিক প্রধান রাজি হয়েছেন, সমাধান সূত্র কী বেরোয় সেদিকে সাগ্রহে তাকিয়ে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!