Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • নভেম্বর ১৬, ২০২৩

চার ঘণ্টার আলোচনা, জিনপিংকে “স্বৈরাচারি” বললেন বাইডেন, নিট ফল শূন্য !

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
চার ঘণ্টার আলোচনা, জিনপিংকে “স্বৈরাচারি” বললেন বাইডেন, নিট ফল শূন্য !

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও চিনের রাষ্ট্রপ্রধান শি জিনপিং  চার ঘণ্টার লম্বা বৈঠক করলেন। আলোচনায় উঠে এল ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্য-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিশ্বের এই দুই শক্তিধর দেশের মধ্যে সম্পর্কের পারদ গলে কি না সেদিকে নজর ছিল গোটা বিশ্বের। কিন্তু এই প্রলম্বিত ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক সেভাবে ফলপ্রসূ হল না, আর সেটা স্পষ্ট হয়ে গেল বাইডেনের বক্তব্যে। জিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাতের পরই ফের চিনের রাষ্ট্রপ্রধানকে “স্বৈরাচারি” বলে কটাক্ষ করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

“একনায়ক” বলে এর আগেও শি জিনপিংকে সমালোচনা করেছিলেন জো বাইডেন। গত জুন মাসে মার্কিন বিদেশ সচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের চিন সফরের পর বাইডেন চিনের প্রেসিডেন্টকে “একনায়ক” বলে কটাক্ষ করেছিলেন। কিন্তু সেই “একনায়ক”-এর সঙ্গেই আবার দেখা করার ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। অবশেষে জিনপিংয়ের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ হল। একাধিক বিষয় বৈঠকও হল। কিন্তু নিজের অবস্থান থেকে এক চুল সরলেন না মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

বুধবার সান ফ্রান্সিস্কোর দক্ষিণে প্রায় ৩০ মাইল দূরে ফিলোলি এস্টেটের একটি বাগানবাড়িতে বৈঠকে বসেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো  বাইডেন ও চিনের রাষ্ট্রপ্রধান শি জিনপিং। দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে টানা চার ঘণ্টা বৈঠক চলেছে। বৈঠক শেষে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে জিজ্ঞাসা করা হয় তিনি কি এখনও জিনপিংকে  “একনায়ক” বলেই মনে করেন? এর উত্তরে বাইডেন স্পষ্ট বলেন, “ওনাকে দেখে তাই মনে হয়। জিনপিং একজন একনায়ক, কারণ তিনি চিনের মতো একটি কমিউনিস্ট দেশ শাসন করছেন। চিনের সরকার আমাদের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।” তাঁর এই বক্তব্যের পর বোঝাই গেল দুদেশের মধ্যে সম্পর্ক ঠিক হওয়ার কোনও সম্ভাবনা সেই অর্থে নেই।

বৈঠকে চিনের রাষ্ট্রপ্রধান আমেরিকাকে খোঁচা দিতে কুন্ঠা করেননি। তাইওয়ান প্রসঙ্গ তুলে বাইডেনকে কড়া বার্তা দেন শি জিনপিং। চিনা সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, তিনি বাইডেনকে বলেন, “স্বাধীন তাইওয়ান নীতিকে সমর্থন না করার প্রতিশ্রতি দিয়েছেন আপনারাই। এবার তা প্রমাণ করুন।” মার্কিন রাষ্ট্রপ্রধানকে ফের “ওয়ান চায়না” নীতির কথা মনে করিয়ে দেন জিনপিং। এর পর রীতিমতো হুঁশিয়ারির সুরে জিনপিং বলেন, “ফের গড়ে উঠবে অখণ্ড চিন। শান্তি বজায় রাখতেই হবে। তবে সমস্যা সমাধানের পথ খোঁজা জরুরি।” কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, চিনা প্রেসিডেন্টের এই ‘স্পষ্ট’ কথা খুব একটা ভালো ভাবে নেননি বাইডেন।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!