- এই মুহূর্তে দে । শ
- নভেম্বর ৫, ২০২৫
এসআইআর বিরোধী আন্দোলনের অভিমুখ কী, ধোঁয়াসা ‘ইন্ডিয়া’ জোটে
ভারতের নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিবাদে তামিলনাড়ু, কেরল এবং পশ্চিমবঙ্গের মতো বিরোধী শাসিত রাজ্যগুলি আন্দোলন জোরদার করলেও, এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও যৌথ কৌশল গড়ে তুলতে পারেনি ‘ইন্ডিয়া’ জোট।
তামিলনাড়ুর ডিএমকে সরকার সোমবার সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে এসআইআর প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে মামলা করেছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মঙ্গলবার রাজপথে নেমে আন্দোলন করেছেন। অন্যদিকে, কেরল সরকার ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করতে একটি সর্বদলীয় বৈঠক করছে।
তবে ২৭ অক্টোবর নির্বাচন কমিশন যখন ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এস আই আর ঘোষণা করেছিল, তখন থেকে এ পর্যন্ত ‘ইন্ডিয়া’ জোটের পক্ষ থেকে কোনও যৌথ বৈঠক বা আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়নি, এমনটাই জানিয়েছেন এক প্রবীণ বিরোধী নেতা। তাঁর কথায়, প্রধান বিরোধী দল হিসেবে এই ক্ষেত্রে উদ্যোগ নেওয়ার দায়িত্ব কংগ্রেসেরই ছিল। তিনি বলেন, “এখন প্রতিটি রাজ্য আলাদা ভাবে ব্যবস্থা নিচ্ছে, কিন্তু জাতীয় স্তরে কোনও সমন্বয় নেই। অনেক রাজ্যে ইতিমধ্যেই এস আই আর শুরু হয়ে গিয়েছে, সময়ও খুব কম। ‘ইন্ডিয়া’ জোট চাইলে দিল্লিতে যৌথ সাংবাদিক বৈঠক বা প্রতিবাদ কর্মসূচি আয়োজন করতে পারত।”
জনৈক প্রবীণ কংগ্রেস নেতা জানান, বিহার বিধানসভা নির্বাচন শেষ হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হতে পারে। উল্লেখযোগ্যভাবে, সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশন প্রায় সম্পূর্ণভাবে বিঘ্নিত হয়েছিল, কারণ কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন বিরোধীরা বিহারের এস আই আর নিয়ে আলোচনা দাবি করেছিল।
যদিও তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনে এস আই আর–এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদে অংশ নিয়েছিল, বর্তমানে তারা আর ‘ইন্ডিয়া’ জোটের সঙ্গে একত্রে আন্দোলনের মেজাজে নেই।
টিএমসি–র লোকসভা সাংসদ সৌগত রায় এই প্রসঙ্গে সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, “তৃণমূল একাই এই লড়াই লড়বে।”
অন্য এক বিরোধী নেতা জানান, “কংগ্রেস নেতৃত্ব নিচ্ছে না কারণ কংগ্রেস শাসিত কোনও রাজ্যেই এস আই আর হচ্ছে না। অন্য রাজ্যগুলিতে তারা শুধুমাত্র মিত্রদল।”
❤ Support Us






