- এই মুহূর্তে দে । শ
- জুলাই ১৭, ২০২৪
সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্রে সংরক্ষণ নীতি সিদ্দারামাইয়া সরকারের, আশঙ্কার মেঘ তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পে
সরকারি ও বেসরকারি চাকরি ক্ষেত্রে নতুন সংরক্ষণ নীতির জন্য বিপদে পড়তে পারেন একাধিক কর্মীরা। মঙ্গলবার কর্ণাটক সরকার চাকরি সংক্রান্ত একটি বিল পাশ করে যেখানে সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন কর্ণাটকের ভূমিপুত্রেরা। ওই বিল অনুযায়ী বেসরকারি ক্ষেত্রে স্থানীয়দের জন্য ম্যানেজমেন্ট বিষয়ক চাকরিতে ৫০ শতাংশ ও নন – ম্যানেজমেন্ট পেশায় ৭৫ শতাংশ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। বিল অনুযায়ী কর্ণাটকের সরকারি চাকরিতে সি ও ডি গ্রুপে স্থানীয়দের জন্য ১০০ শতাংশ সংরক্ষণের দাবি করা হয়েছে।
বুধবার রাজ্যের বেশ কয়েকজন শিল্পপতি এই পদক্ষেপের বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছেন । তাঁদের মতে এই বিল ‘বৈষম্যমূলক’ , শুধু তাই নয় , এতে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবসার বিশাল ক্ষতি হবে বলে মনে করছেন তাঁরা। মণিপাল গ্লোবাল এডুকেশন সার্ভিসেসের সভাপতি মোহনদাস পাই বলেছেন, এই বিলটি ‘ফ্যাসিবাদী ও অসাংবিধানিক। ‘ পাশাপাশি পশ্চাদপসরণমূলক বলেও দাবি করেছেন তিনি। তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে তিনি কটাক্ষ করে বলেছেন,বিলটি অনেকটা পশু খামারের মতো। এবার কি সরকারি আধিকারিকেরা সবার ভাষা পরীীক্ষা নেবেন ?
বেঙ্গালুরুকে ভারতের তথ্য প্রযুক্তি হাব বলা হয়। সে কথা মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য বায়োকন লিমিটেডের এক্সিকিঊটিভ চেয়ারপারসন কিরণ মজুমদার শ বলেছেন, যে , তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে রাজ্যের শীর্ষ অবস্থান প্রভাবিত হতে পারে, যা কখনই সরকারের পক্ষে উচিত হবেনা। দক্ষতার সঠিক মূল্যায়নের জন্য ছাড় দেওয়া উচিত।
অ্যাসোচামের সহ সভাপতি আর কে মিশ্র বিলটিকে সরকারের ‘অদূরদর্শিতার পরিচয়’ বলে অভিহিত করেছেন। তাঁর বক্তব্য বিলের বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রতিটি বেসরকারি সংস্থায় যদি একজন করে সরকারি আধিকারিক নিযুক্ত হন, তখন তিনি প্রতি মুহূর্তে ওই সংস্থাগুলির মধ্যে আতঙ্কের পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারেন।
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কে সিদ্দারামাইয়া এই বিলের সপক্ষে বলেছেন, আমাদের স্্রকারের ইচ্ছে, কন্নড়িীরা যেন চাকরি থেকে বঞ্চিত না হয়। তাঁদের মাতৃভূমিতে একটি সুখময় জীবন গড়তে দেওয়া উচিত। আমাদের অগ্রাধিকার তাঁদের দেখাশোনা করা। ‘
তাদঁদের বক্তব্য রাজ্যের তথ্য প্রযুক্তির যাবতীয় সুফলের ভাগ চলে যাচ্ছে উত্তর ভারতে। আবার ওই সংস্থাগুলিই তাঁদের শিল্পের জন্য জল , জমি অন্যান্য পরিকাঠামোর সুবিধা ভোগ করে। তাই স্থানীয়দের আগে সুযোগ দেওয়া উচিত। যদিও এই বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি নীতি প্রয়োগ করা হয়নি। সব মিলিয়ে রাজ্যের আগাম ভবিষ্যৎ নিয়ে সরকার উচ্ছ্বসিত হলেও সিঁদুরে মেঘ দেখছে তথ্য প্রযুক্তি হাব বেঙ্গালুরু।
❤ Support Us






