Advertisement
  • ন | ন্দ | ন | চ | ত্ব | র
  • মার্চ ২০, ২০২৬

শুরু কাটোয়া বইমেলা

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
শুরু কাটোয়া বইমেলা

জন্মশতবর্ষের কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যকে শ্রদ্ধা। ভারতীয় ডাক-ব্যবস্থার ঐতিহ্যকে তুলে ধরা। জোড়া লক্ষ্যকে সামনে রেখে সূচনা হল ৩৪তম কাটোয়া বইমেলার। প্রান্তিক মফসসল শহরে কোনো সরকারি সাহায্য ছাড়াই শুধু বইপাগল জনতার আবেগকে পুঁজি করেই ৩৪ বছর ধরে চলছে মেলাটি। জানালেন কাটোয়া বইমেলা অছি পরিষদের সম্পাদক তুষার পণ্ডিত।

মঙ্গল-সন্ধ্যায় শহরের কাশীরাম দাস বিদ্যায়তনের মাঠে বইমেলার আনুষ্ঠানিক পথ খুলে দিলেন এই মেলা আয়োজনের শুরুর সময়ের সৈনিক  ইতিহাসের অশীতিপর অধ্যাপক নারায়ণ চট্টোপাধ্যায়। তুলে ধরলেন ছোট থেকে বৃহদায়তন হয়ে ওঠা কাটোয়া বইমেলার ধারাপথটিকে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের ৫৪টি ছোট-বড় স্টলের সামনে সূচনা-সন্ধ্যাতেই বই- প্রেমীদের ভিড়ে আশ্বস্ত বিক্রেতা ও উদ্যোক্তারা। মঞ্চ সুকান্ত ভট্টাচার্যের নামে। সেলফি জোন ঘন লাল পেল্লায় ডাকবাক্স। আর প্রবেশতোরণটি বাংলা সংবাদপত্রের জনক সফল বই-ব্যবসায়ী গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্যের নামে। এভাবেই মেলার মাঠে পা-রাখা বইপ্রেমীদের আমরা ইতিহাসের সামনে দাঁড় করাতে চেয়েছি।

ঘোষণা মেলা কমিটির জোড়া সাধারণ সম্পাদক ডঃ দেবব্রত মুখার্জি ও ডঃ দিনেন ভট্টাচার্যর। মেলা সফল করতে দরাজ হাত বাড়িয়ে দিয়েছে পুলিশ, প্রশাসন, পুরসভা। জানা গেল, ৪ হাজার টাকার উপরে যাঁরা বই কিনবেন, তাঁদের জন্য বিশেষ সম্মাননার ব্যবস্থা করেছে মেলা কমিটি। মহকুমার প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে কলেজের শিক্ষার্থীদের নিয়ে মাসাধিক কাল ধরে চলা ক্যুইজের চূড়ান্ত পর্ব আয়োজিত হবে মেলার মাঠে। সেখানে ‘পরীক্ষায় ভালো ফল করার উপায়’ বাতলাবেন কাটোয়ার ভূমিপুত্র উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সদ্য নিযুক্ত সভাপতি ডঃ পার্থ কর্মকার। আর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যে মেগা আকর্ষণ ‘লোকশিক্ষের’ আদি মাধ্যম যাত্রাপালা। ভৈরব গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখা অধ্যাপক তারাশঙ্কর চ্যাটার্জির নির্দেশনায় ‘নাচমহল’ পালাটি মঞ্চস্থ করবেন বইমেলা কমিটিরই কুশীলবরা। ৭ দিন বইয়ের গন্ধে ম ম করবে কাটোয়া।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!