Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • আগস্ট ৮, ২০২৩

কেন্দ্রীয় সেনা সরিয়েও মিটল না বিবাদ। হত্যাকারীকে ধরতে গিয়ে তুমুল বাকবিতণ্ডায় আসাম রাইফেলস ও মণিপুর পুলিশ। দায়ের হল মামলা

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
কেন্দ্রীয় সেনা সরিয়েও মিটল না বিবাদ। হত্যাকারীকে ধরতে গিয়ে তুমুল বাকবিতণ্ডায় আসাম রাইফেলস ও মণিপুর পুলিশ। দায়ের হল মামলা

দায়িত্ব থেকে সরানো হলেও রাজ্য পুলিশের কাজে অবাঞ্ছিত হস্তক্ষেপ বন্ধ করেনি আসাম রাইফেলস। এবার সংস্থার এক সেনা জওয়ানের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করল মণিপুর প্রশাসন। সংবাদ সংস্থার খবর, অভিযুক্ত সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী বিষ্ণুপুর জেলায় রাজ্য পুলিশকে কাজ করতে বাধা দিয়েছে। এব্যাপারে একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছ, যেখানে দুই পক্ষই একে অপরের সঙ্গে তর্কাতর্কিতে লিপ্ত। যা নিয়ে শুরু হয়েছে শোরগোল।

মঙ্গলবার সকালেই প্রশাসনের নির্দেশে রাজ্যের বিষ্ণুপুর জেলার মৈরাং-এর মতো স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে কেন্দ্রীয় আধা সামরিক সেনার পরিবর্তে সিআরপিএফকে পাঠানো হয়। বেলা গড়াতে না গড়াতেই শুরু হল অশান্তি। দুদিন আগে জেলায় অশান্তির জেরে নিহতদের হত্যাকারীদের ধরতে গিয়েছিল মণিপুর পুলিশ। কিন্তু কোয়াকতা গ্রামের ফৈজাং রোড সংলগ্ন মসজিদের কাছে পৌছতেই তাঁদের আটকে দেয় আসাম রাইফেলসের ৯ নম্বর ব্যাটেলিয়নের জওয়ানরা। নিজেদের গাড়ি মাঝ রাস্তায় নিয়ে এসে তাঁরা বলেন, আইনত এই এলাকায় তাঁদেরই দায়িত্ব পালনের কথা।আর সে কাজই তাঁরা করছেন।এ খানে বাধা দেওয়া যাবে না। এব্যাপারে রাজ্য পুলিশ তাঁদের বক্তব্য জানালে দুপক্ষের মধ্যে শুরু হয় তীব্র বাক বিতণ্ডা। যার দরুণ পিছু হঠতে হয় রাজ্য পুলিশ প্রশাসনকে। শেষ পর্যন্ত স্থানীয় থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান এ নিয়ে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

মণিপুরে গোষ্ঠী সংঘর্ষ রুখতে আসাম রাইফেলসকে দায়িত্ব দেওয়া হয় অশান্তি সামলানোর জন্য। কিন্তু শুরু থেকেই রাজ্য পুলিশের সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক খুব একটা ভালো থাকেনি। বার বার সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছেন তাঁরা। এব্যাপারে বেশ কয়েকটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে বহুল প্রচারিত হয়। শুধু তাই নয়, সাধারণ নাগরিকদের ওপরও বিনা অভিযোগে কেবলমাত্র সন্দেহের বশে নিপীড়ন চালিয়েছে বলে কেন্দ্রীয় আধা সামরিক জওয়ানদের বিরুদ্ধে অভিযোগ। যা নিয়ে গত তিন মাস ধরেই জনমানসে তৈরি হয়েছিল অসন্তোষ। এ ব্যাপারে সোমবার মেইরা পাইবি নামক মেইতেই মহিলাদের একটি সংগঠন গণ সমাবেশের আয়োজন করে। দাবি করা হয়, পাঁচ জেলা থেকে কেন্দ্রের নিরাপত্তা রক্ষীদের সরাতে হবে। নিজেরদের অবস্থানে অটুট থেকে তাঁরা জানান, মেইতেই মানুষের ওপর অকথ্য নির্যাতন চালাচ্ছেন কেন্দ্রের সশস্ত্র জওয়ানরা তাই অবিলম্বে ইম্ফল পূর্ব, ইম্ফল পশ্চিম, থাউবা, বিষ্ণুপুর ও কাকচিং থেকে তাঁদের সরিয়ে দিতে হবে। তাই  মঙ্গলবারই ডিজিপি সিদ্ধান্ত নেনআধা  সামরিকদের সরিয়ে নেওয়ার । তাতে অবশ্য পরিস্থিতির পরিবর্তন এত সহজে হবে না  তা বলা বাহুল্য।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!