Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • ডিসেম্বর ৪, ২০২৫

আর্থিক সাহায্যের দাবিতে সিইও দফতরের সামনে বিক্ষোভ ! পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়াল ‘বিএলও অধিকার রক্ষা কমিটি’

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
আর্থিক সাহায্যের দাবিতে সিইও দফতরের সামনে বিক্ষোভ ! পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়াল ‘বিএলও অধিকার রক্ষা কমিটি’

রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক-এর দফতরের সামনে গত কয়েকদিন ধরেই উত্তেজনা অব্যাহত।সোমবারের তীব্র ঘটনার পর বৃহস্পতিবারও পরিস্থিতি নতুন করে রণক্ষেত্রের রূপ নেয় সিইও-র অফিস চত্বর। এদিন, তৃণমূলপন্থী সংগঠন ‘বিএলও অধিকার রক্ষা কমিটি’ সকাল থেকে স্লোগান দিতে শুরু করে। তাঁদের হাতে একাধিক প্ল্যাকার্ড। তাতে লেখা, ‘বিএলও-দের উপর জোর করে ডেটা এন্ট্রির কাজ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।’ তাঁদের দাবি, ‘এসআইআর’-এর কাজ করতে গিয়ে মৃত বুথ লেভেল অফিসারদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য দিতে হবে এবং পরিবারের কোনো এক সদস্যকে চাকরি দিতে হবে।

বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেছেন, মৃত বিএলওদের ওপর অতিরিক্ত কাজ চাপিয়ে দেওয়ার কারণেই এ মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বিক্ষোভকারীরা বলছেন, ‘আমাদের দাবি স্পষ্ট, মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য দিতে হবে, তাঁদের একজনকে চাকরিতেও সুযোগ দিতে হবে।’ ঘটনাস্থলে পুলিশ আগেভাগেই মোতায়েন ছিল। কিন্তু কিছু আন্দোলনকারী ব্যারিকেড ঠেলে দফতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। দফতরের বাইরে পরিস্থিতি কয়েকবার রণক্ষেত্রের মতো হয়ে ওঠে। এরপর মৃত বিএলও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করে বিক্ষোভকারীরা।

সোমবারও একই পরিস্থিতি দেখা গেছিল। বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী যখন সিইও দফতরে পৌঁছান, তখন বিক্ষোভকারীরা ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দিতে থাকেন। ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করা হয়। বৃহস্পতিবারও একই চিত্র। আন্দোলনকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে বারবার দফতরের দিকে ধাওয়া করে। বিক্ষোভে মৃত বিএলওদের পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। তাদের দাবি, ‘আগে থেকেই আমরা সময় চেয়েছি, তবু আমাদের আটকানো হচ্ছে।’ এছাড়াও, বিপুল কাজের চাপে, মাত্র সাত দিনের সময়সীমা বাড়ানো যথেষ্ট নয় বলে অভিযোগ করেছেন আন্দোলনকারীরা। শুভেন্দু অধিকারী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সিইও দফতরকে নিরাপদ স্থানে সরানোর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনেরও আবেদন করেছেন। এদিকে সুপ্রিম কোর্টও বিএলওদের কাজের চাপ ও মানসিক অবস্থার প্রতি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। প্রধান বিচারপতি সুর্য কান্ত নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ মন্তব্য করেছেন, ‘যেখানে ১০ হাজার কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে, সেখানে চাইলে আরো ৩০ হাজারও রাখা সম্ভব। কাজের চাপ এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে মৃত্যুর ঘটনা বাড়ছে, অথচ রাজ্য সরকার সমানভাবে উদাসীন।’ রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় ভোটার তালিকা সংশোধনের দায়িত্বে থাকা বুথ লেভেল অফিসারদের মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে কমিশন ও রাজ্য প্রশাসন উভয়কেই দায়ী বলে মন্তব্য করেছে সুপ্রিম কোর্ট।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!