- এই মুহূর্তে দে । শ
- অক্টোবর ২৩, ২০২৫
এসএসকেএম-এ নাবালিকা রোগীকে যৌন হেনস্তা ! ধৃত হাসপাতালের প্রাক্তন অস্থায়ী কর্মী
পশ্চিমবঙ্গের সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কি একদমই ভেঙে পড়েছে! মহিলা চিকিৎসক থেকে রোগী নির্যাতনের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না কেউ, বিগত কয়েক বছরে একের পর এক হাসপাতাল-নার্সিংহোমে ঘটে যাওয়া একাধিক ঘটনার পরিসংখ্যান আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করবার জন্য যথেষ্ট। আরজি কর, দুর্গাপুরের ঘটনার পর নাগরিগ সমাজ যেখানে হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে সমালোচনায় মুখর, ঠিক সে মুহূর্তেই খোদ কলকাতার অন্যতম প্রখ্যাত সরকারি হাসপাতাল এনআরএস-এ ঘটে গেল ন্যাক্কারজনক ঘটনা। অভিযোগ, চিকিৎসা করতে আসা এক নাবালিকা রোগীকে যৌন নির্যাতন করেছেন হাসপাতালেরই এক অস্থায়ী কর্মী। ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসতেই পুলিশ গ্রেফতার করেছে ওই যুবককে, শুরু করেছে তদন্ত। তবে এতে বিতর্ক থামছে না, রোগী পরিবারের অভিযোগ, যদি খাশ কলকাতার বুকেই এমন ঘটনা ঘোটে, তাহলে গ্রাম-মফঃস্বলের হাসপাতালের চেহারাটা ঠিক কী !
জানা যাচ্ছে, বুধবার এসএসকেএম-এর আউটডোরে গিয়েছিলেন ওই নাবালিকা, তখনই ঘটনাটি ঘটে। তাঁর পরিবার তখন টিকিট করানোর কাজে ব্যবস্ত ছিলেন। নির্যাতিতার পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতালের শৌচাগারে নিয়ে গিয়ে ওই যুবক যৌন হেনস্তা করে ১৫ বছরের নাবালিকাকে। পরিবারের অভিযোগ পেয়ে তৎপর হয়ে ওঠে পুলিশ, বুধবার রাতেই ধাপা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্ত অস্থায়ী কর্মীকে। পুলিশ সূত্রে খবর, তাঁর বিরুদ্ধে শিশুসুরক্ষা আইন মোতাবেক মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজই তাঁকে আদালতে তোলা হবে।
ধৃত যুবক বর্তমানে এনআরএস-এর অস্থায়ী কর্মী হলেও এর আগে সে এসএসকেএম-এ অস্থায়ী কর্মী হিসাবে কাজ করতেন। সে সূত্রেই হাসপাতালে অবাধ যাতায়াত তাঁর। বুধবার তিনি হাসপাতালের বর্হিবিভাগের আশেপাশেই ঘোরাঘুরি করছিলেন। পরনে ছিল এসএসকেএম-এরই পুরনো পোশাক, সেখান থেকেই নাবালিকাকে ট্রমা কেয়ার সেন্টারের শৌচাগারে নিয়ে যান বলে অভিযোগ। ঘটনার সময় নাবালিকার চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন ছুটে এলে ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত। প্রশ্ন উঠছে তিনি বর্তমানে হাসপাতালের কর্মী না হওয়া সত্ত্বেও কীভাবে সকলের চোখ এড়িয়ে এমন অপরাধ করলো, নিরাপত্তাকর্মীরা তখন কী করছিলেন! পুলিশ জানিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজ দেখেই অভিযুক্তকে শনাক্ত করা গেছে। তবে, একের পর এক ঘটনার পরেও হাসপাতালগুলিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থার খামতি যে রয়ে গিয়েছে তা মানছেন চিকিৎসক থেকে রোগী পরিবার সকলেই।
❤ Support Us







