Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৫

ভারতীয় নৌবাহিনীর মহিলা নাবিকদের দুঃসাহসী অভিযান, দক্ষিণ আমেরিকার কেপ হর্ণ অতিক্রম

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
ভারতীয় নৌবাহিনীর মহিলা নাবিকদের দুঃসাহসী অভিযান, দক্ষিণ আমেরিকার কেপ হর্ণ অতিক্রম

লেফটেন্যান্ট কমান্ডার দিলনা কে এবং লেফটেন্যান্ট কমান্ডার রূপা শনিবার আইএনএসভি তরণী করে ‘দ্বিতীয় নাভিকা সাগর-পরিক্রমা’ অভিযানের তৃতীয় ধাপে পৌঁছেছেন। দক্ষিণ আমেরিকার দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত কেপ হর্ন সফলভাবে অতিক্রম করে তাঁরা নতুন ইতিহাস রচনা করলেন।

নাভিকা সাগর পরিক্রমা হল ভারতীয় নৌবাহিনীর মহিলা অফিসারদের পৃথিবীর প্রদক্ষিণের অভিযান। ‘নাভিকা সাগর পরিক্রমা’ শব্দের অর্থ হল ‘নাবিকদের সমুদ্র পরিক্রমা’। এই অভিযানে মহিলা অফিসারদের দ্বারা পরিচালিত হয়, কেবলমাত্র মহিলা দল এতে অংশগ্রহণ করে। গতবছর ২ অক্টোবর স্মরণীয় অনুষ্ঠানে, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল দীনেশ কে. ত্রিপাঠী গোয়ার আইএনএস মান্ডোভিতে ওশান সেলিং নোড থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিতীয় বারের জন্য নাভিকা সাগর পরিক্রমা অভিযানের সূচনা করেন। এটি ভারতীয় মহিলাদের দ্বারা প্রথমবারের মতো নৌ-বিশ্বপরিক্রমা। লেফটেন্যান্ট কমান্ডার দিলনা কে এবং লেফটেন্যান্ট কমান্ডার রূপা শনিবার আইএনএসভি তরণী করে ‘দ্বিতীয় নাভিকা সাগর পরিক্রমা’ অভিযানের তৃতীয় ধাপে পৌঁছেছেন। দক্ষিণ আমেরিকার দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত কেপ হর্ন সফলভাবে অতিক্রম করে তাঁরা নতুন ইতিহাস রচনা করলেন। ভারতীয় নৌবাহিনীর তরফে এটিকে ‘উল্লেখযোগ্য অর্জন’ বলে অভিহিত করা হয়েছে। ভারতীয় নৌবাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই পথ ড্রেক প্যাসেজের মধ্য দিয়ে নাবিকদের নিয়ে যায়। যেটি ইংরেজ অভিযাত্রী স্যার ফ্রান্সিস ড্রেকের নামে নামকরণ করা হয়েছে, যিনি দক্ষিণ আমেরিকার দক্ষিণে এই উন্মুক্ত সমুদ্র পথের অস্তিত্ব আবিষ্কার করেছিলেন। , বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘ এ জলপথ ভীষণ ভয়াবহ, প্রচণ্ড বাতাস, প্রবল ঢেউ এবং অপ্রত্যাশিত আবহাওয়ার জন্য পরিচিত।’
কেপ হর্ন অতিক্রম করার পর, ভারতীয় নৌবাহিনীর অফিসাররা নিজেদেরকে ‘কেপ অনার্স’ খেতাবে নিজেদের পরিচয় দিয়েছেন। যা ঐতিহ্যগতভাবে কেপ হর্নে পালতোলা জাহাজে চলাচলকারী অভিজাত সমুদ্রযাত্রীদের সম্মানে এটি বলা হয়। কেপ হর্ন, অ্যান্টার্কটিকা থেকে মাত্র ৮০০ কিলোমিটার বা ৪৩২ নটিক্যাল মাইল দূরে অবস্থিত। বরফ মহাদেশের কাছাকাছি হওয়াতে, এখানে চলাচলের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমী নেভিগেশন দক্ষতা এবং দক্ষিণ মহাসাগরের কঠিন পরিস্থিতির সঙ্গে লড়াইয়ের মানসিক দৃঢ়তা, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার প্রয়োজন।

ঐতিহাসিক এই সমুদ্রযাত্রা অভিযান ২৪০ দিনে তিনটি মহাসাগর এবং তিনটি চ্যালেঞ্জিং কেপসের মধ্য দিয়ে ২৩,৪০০ নটিক্যাল মাইল ভ্রমণ করে চারটি মহাদেশ অতিক্রম করবে। যাত্রা শেষ হলে পর, নাভিকা সাগর পরিক্রমা সামুদ্রিক ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হয়ে উঠবে। ‘আত্মনির্ভর ভারত’- এর মুকুটে উঠবে নতুন পালক।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!