- দে । শ
- জুলাই ৩০, ২০২৪
২ সঙ্গীসহ পুলিশের জালে কুখ্যাত দুষ্কৃতী জর্দা
সোনা চুরিতে জুড়ি নেই জর্দার। পলক ফেলার আগেই বাড়ি বা দোকানে রাখা সোনা নিমেষে হাপিস করা কুখ্যাত দুষ্কৃতী জর্দাকে জালে তুলল কাটোয়ার পুলিশ। পুলিশের রাতের ঘুম কেড়ে নেওয়া ওয়াজুল শেখ ওরফে জর্দার ২ সাগরেদ আরজুল শেখ ও টিলু শেখও পাকড়াও। তিনজনই মুর্শিদাবাদের বেলডাঙার বাসিন্দা। তাদেরকে কাটোয়া মহকুমা আদালতে পেশ করা হলে বিচারক পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। নিমেষে তালা ভেঙে দোকান বা বাড়ি ফাঁকা করে দেওয়ার কাজে সিদ্ধহস্ত জর্দা থেকে শুরু করে ‘বেলডাঙা গ্যাং’য়ের সদস্যরা।
পুলিশ সূত্রের খবর, গত ৩ মাসে এই গ্যাং কাটোয়া ও কেতুগ্রাম থানা এলাকায় মোট ৩৫টি চুরিতে অভিযুক্ত। এছাড়াও গ্যাংয়ের চুরির তালিকায় রয়েছে পশ্চিম বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, মালদা, হুগলী ও পুরুলিয়া জেলার বিভিন্ন এলাকা। বাইকে চেপে অভিযান চালাত গ্যাংটি। মুখে থাকত মাস্ক। সোনার গহনা চুরিই ছিল গ্যাংয়ের মূল লক্ষ্য। পুলিশ জানতে পেরেছে, চুরি করা গহনা জমা রাখা হত এক মহিলার কাছে। মহিলা আসানসোল এলাকার বাসিন্দা। জর্দাদের জেরা করে সেই মহিলার সন্ধান শুরু করেছে পুলিশ। পুলিশের চোখে ধুলো দিতে বারেবারে মোবাইলের সিম বদল-সহ নানান ছলনার আশ্রয় নিত জর্দা।
জর্দাকে কীভাবে জালে তুলল পুলিশ? জানা গেল, দিন দুয়েক আগে ২ সাগরেদকে নিয়ে বাইকে চেপে বহরমপুর থেকে আসানসোল হয়ে পুরুলিয়া গিয়ে ঘাঁটি গাড়ে জর্দা। সেখানে একটি ‘অপারেশন’ চালিয়ে আসানসোল ফেরে। পুলিশও তক্কে তক্কে ছিল। আসানসোল থেকে জর্দা-বাহিনীকে অনুসরণ করে। দুর্গাপুর পার হয়ে বুদবুদ ঢোকার মুখেই বাইক ঘিরে তিনজনকেই জালে তোলে।
❤ Support Us





