- এই মুহূর্তে দে । শ
- ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৫
বহিরাগত সমস্যা মেটাতে এনআরএস হাসপাতালে চালু কিউআর কোড যুক্ত পরিচয়পত্র
আর জি করের ঘটনার পর রাজ্যের হাসপাতালগুলির নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে নানান প্রশ্নচিহ্ন উঠেছিল। বহিরাগতের দৌরাত্ম্য নিয়ে অভিযোগ তুলেছিলেন চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী থেকে ডাক্তারি পড়ুয়ারা। এবার সে সমস্যা মেটাতে এনআরএস হাসপাতালে চালু হয়েছে কিউআর কোড যুক্ত পরিচয়পত্র।
কলকাতা নীলরতন সরকার হাসপাতালের মেডিক্যাল ও প্যারামেডিক্যাল ছাত্র-ছাত্রীদের অর্থাৎ পোস্ট গ্রাজুয়েট, পোস্ট ডক্টরেট, আন্ডারগ্রাজুয়েট ও প্যারামেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের জন্য এবার চালু হচ্ছে কিউআর কোড যুক্ত নতুন পরিচয় পত্র। হাসপাতালের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। আর জি করে তরুণি চিকিৎসককে যৌন নির্যাতন করে খুনের ঘটনার পর রাজ্যের হাসপাতালগুলির নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে নানান প্রশ্নচিহ্ন উঠেছিল। বহিরাগতের দৌরাত্ম্য নিয়ে অভিযোগ তুলেছিলেন চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী থেকে ডাক্তারি পড়ুয়ারা। স্বাস্থ্য ভবনের কড়া নির্দেশিকার পর এবার সে সমস্যা মেটাতে চাইছে এনআরএস হাসপাতালের কর্মকর্তরা। বাধ্যতামূলক এই এক কার্ডেই হবে কলেজ ও ডিউটির হাজিরা।
এনআরএস কর্তৃপক্ষের জারি করা এক বিবৃতিতে নতুন নিয়ম নিয়ে বিস্তারিত লেখা হয়েছে, তাতে বলা হয়েছে, অনলাইনে প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীদের বাধ্যতামূলকভাবে নিদির্ষ্ট ফর্মটি পূরণ করে আবেদন জানাতে হবে। এর শেষ তারিখ ২৫ ফেব্রুয়ারি, অনলাইন নির্ধারিত ৫০ টাকা জমা দেওয়ার শেষ দিন ২৭ ফেব্রুয়ারি। জানা যাচ্ছে, এই পরিচয় পত্রে যা যা তথ্য দেওয়া হবে, সেগুলি ওয়েবসাইটে আপলোড করা থাকবে। কিউআর কোড স্ক্যান করলেই নিরাপত্তারক্ষীদের স্ক্রিনে ভেসে উঠবে তথ্য। কার্ডের সঙ্গে চোখের লিঙ্ক যুক্ত করা হচ্ছে। ফলে একজনের কার্ড নিয়ে অন্য কোন ব্যক্তি হাসপাতালে প্রবেশ করতে পারবে না। ছাত্র-ছাত্রীদের পুরো বিষয়টাকে ভেবেচিন্তে তথ্য জমা করবার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কারণ পরবর্তীতে চাইলেও কোনোকিছু আর পরিবর্তন করা যাবে না। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি কলেজ কাউন্সিলের মিটিংয়ের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
কর্তৃপক্ষর দাবি, নয়া পদক্ষেপের ফলে হাসপাতাল ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের প্রবেশ ঠেকানো যাবে। কীভাবে কাজ করবে এই কিউ আর কোড? মূলত সিনিয়র ও জুনিয়র ডাক্তারদের উপর নজরদারি রাখতেই এমন পদক্ষেপ করেছে কলেজ কাউন্সিল। এই নোটিশ নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, সই করা জামানা শেষ। আর বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে অনেক সময় লাগে, লাইন পড়ে যায়। তাই জন্যই এই ব্যবস্থা। সিনিয়র চিকিৎসকদের ক্ষেত্রে নতুন ব্যবস্থা চালু হয়ে গেছে, বাকিদের জন্যও খুব তাড়াতাড়ি লাগু হবে। এনআরএস-এর পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন বাংলার জুনিয়র ডাক্তারদের সংগঠন, রাজ্যের প্রতিটা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে এরকম ব্যবস্থা চালু করবার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
❤ Support Us







