Advertisement
  • দে । শ
  • জুন ২৪, ২০২৩

গণসঙ্গীত এখন ব্রাত্য। সিপিএমের পঞ্চায়েত ভোটের গানে “টুম্পা সোনা”-র পর এবার “বারান্দায় রোদ্দুর”

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
গণসঙ্গীত এখন ব্রাত্য। সিপিএমের পঞ্চায়েত ভোটের গানে “টুম্পা সোনা”-র পর এবার “বারান্দায় রোদ্দুর”

বঙ্গ ভোটের নতুন উপাদান “ভোটের গান।” এবার সুরজিৎ-এর “বারান্দায় রোদ্দুর”, গানটির সুরের অনুকরণে, “এবারে, পঞ্চায়েত, যত চোর আছে সব তৃণমূলে সবাই জানে রে”, এই কথায় পঞ্চায়েত ভোটের গান বেঁধেছে সিপিএম।

গত ২০১১-র বিধানসভা ভোটকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের “অনেক হয়েছে আর না”, ভোটের গান শুনেছিলাম, যে গানে “অনেক হয়েছে আর না” এই কথায় সেই বিখ্যাত “ওয়াশিং পাউডার নির্মা”- র বিজ্ঞাপনের জিঙ্গলের জনপ্রিয় সুর ব্যবহার করা হয়েছিল।

সিপিএম তখন গণ সংগীত দিয়েই ভোটের লড়াই চালাত। কিন্তু গত বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল যখন ওপার বাংলার খেলা হবে-র অনুকরণে এপার বাংলার ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনে “খেলা হবে” গান বাঁধল তখন দেখলাম সিপিএ “টুম্পা সোনা, দুটো হাম্পি দে না, আমি মাইরি বলছি, আর খইনি খাবো না”, এই জনপ্রিয়, চটুল বাংলা গানের সুরে, ভোট চাইতে, “টুম্পা সোনা” সুরে “টুম্পা তোকে নিয়ে ব্রিগেড যাব”, প্যারোডি গান তৈরি করে বিধানসভায় ভোট চাইতে ময়দানে নামল। সূর্যকান্ত মিশ্র থেকে শুরু করে অনেক সিপিএমের শীর্ষ নেতা এই গান সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ারও করলেন।তবে বামপন্থী একটা দল গণসংগীত ছেড়ে এভাবে চটুল গানের সুরকে অবলম্বন করে ভোটের জন্য প্যারোডি গান বানাতে ও তা দিয়ে প্রচার করতে পারে কি না তা নিয়ে তখন প্রশ্ন উঠেছিল। তবে “টুম্পা, তোকে নিয়ে ব্রিগেড যাব”, সিপিএমকে ডিভিডেন্ড দেয়নি। ২০১১ সালে ৩৪ বছরের বাম সরকারের পতন হয়েছিল।

এবার পঞ্চায়েত ভোটের মুখে সিপিএম আবার “ভূমি”- র সুরজিৎ-এর ” বারান্দায় রোদ্দুর”, জনপ্রিয় গানের সুরের অনুকরণে পঞ্চায়েত ভোটের প্যারোডি গান বানিয়েছে। যে গানে “বারান্দায় রোদ্দুর”, -এর সুরে “এবারে, পঞ্চায়েত, যত চোর আছে সব তৃণমূলে সবাই জানে রে”, এমন কথা বসিয়ে প্রচারে নেমেছে সিপিএম। ইতিমধ্যেই শুক্রবার সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম তাঁর নিজের ফেসবুক পেজে এই “এবারে, পঞ্চায়েত, যত চোর আছে সব তৃণমূলে সবাই জানে রে”, ভোটের গানটি শেয়ার করেছেন। তবে সিপিএমের এবারের ভোটের গান কতটা ডিভিডেন্ড সিপিএমকে পঞ্চায়েত ভোটে দেয় সেটা দেখতে হবে।
” এবারে, পঞ্চায়েত”, গানে রাজ্যের শাসক দলের বালি,কয়লা,চাকরি চুরি যেমন তুলে ধরা হয়েছে তেমনই শুভেন্দু অধিকারী এখন তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে গিয়ে সাধু সেজেছেন সেই কথাও বলা আছে। আর প্রতিটি পংক্তির শেষে বলা আছে, “মারতে এলে পাল্টা হবে এবার ছাড়া নাই। লাল পতাকা উঠিয়ে চলো একসাথে গান গাই। চোর-জোচ্চোর দাঙ্গাবাজের এবার রেহাই নাই।” এবার দেখা যাক মার খেয়ে এই গান শুনে সত্যিই সিপিএম শাসকদল তৃণমূল ও বিজেপিকে পাল্টা মার দিয়ে নিজেদের জমি উদ্ধারে কতটা সক্ষম হয়।
তবে প্রশ্ন একটাই সিপিএম যুগোপযোগী হতে গিয়ে নিবারণ পণ্ডিত, হেমাঙ্গ বিশ্বাস, সলিল চৌধুরীকে ছেড়ে আর কোথায় নামবে!


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!