- এই মুহূর্তে দে । শ
- জুন ১০, ২০২৩
পঞ্চায়েত নির্বাচনকে ঘিরে ১৩ জুন সর্বদলীয় বৈঠক ডাকল রাজ্য কমিশন
রাজ্য নির্বাচন কমিশন অবশেষে ১৩ জুন সর্বদলীয় বৈঠক ডাকল। নির্বাচন ঘোষণার দিনই সাংবাদিকরা রাজ্য নির্বাচন কমিশনারকে প্রশ্ন করেন, পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘোষণা হয়ে গেল অথচ সর্বদলীয় বৈঠক তার আগে ডাকা হল না? এই প্রনের উত্তরে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার জানান, “এমন কোনও নিয়ম নেই যে নির্বাচন ঘোষণার আগে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকতেই হবে।”
এদিকে সর্বদলীয় রাজ্যের বিরোধী দলের নেতারাও কেন সর্বদলীয় বৈঠক না ডেকে, বিভিন্ন দলের বক্তব্য না শুনে পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘোষণা করা হল তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
বিরোধীদের এই প্রশ্নের উত্তরে তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, “পৃথিবীর সবাই জানত এই সময় ভোট ঘোষণা হবে বিরোধীরা জানত না? আসলে ওদের প্রার্থী নেই, সংগঠন নেই তাই যে কোনও মূল্যে নির্বাচনে বিঘ্ন ঘটাতে চাইছে। ওরা ন্যাকা ষষ্ঠী, কিছুই জানে না? কোথায় লেখা আছে ভোট ঘোষণার আগে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকতে হবে?”
বিরোধী দলের নেতাদের এই সর্বদলীয় বৈঠক প্রসঙ্গে বক্তব্য, সব ঠিক করে এই বৈঠকের কি প্রয়োজন?
প্রথম থেকেই বিরোধীরা কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে, পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়ার ভিডিওগ্রাফি করে, সিভিক ভলিন্টিয়ার দিয়ে পঞ্চায়ত নির্বাচনের দাবি করে আসছে।
নির্বাচন ঘোষণা পর থেকেই বাম, কংগ্রেস, বিজেপি শান্তিতে ভোট করতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি জানিয়ে আসছে। দেখা গেল নির্বাচন ঘোষণার পর মনোনয়ন পর্ব শুরু হতেই রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল জেলায় জেলায় মনোনয়ন জমা দিতে বিরোধীদের আটকানোর কাজ শুরু করে। খড়গ্রামে শুক্রবার কংগ্রেস কর্মী খুন হন। ডোমকলে, বারাবনিতে মনোনয়ন জমা দেওয়া নিয়ে আশান্তি শুরু হয়।
এই সমস্যা কমিশন সমাধান করেতে সক্ষম কি না এই দাবি ১৩ জুনের সর্বলদীয় বৈঠকে বিরোধীরা রাখবেন।
শুভেন্দু অধিকারী ইতিমধ্যেই রাজ্যে আধা সেনা দিয়েই পঞ্চায়েত নির্বাচন করার দাবি জানিয়েছে। বিজেপি, কংগ্রেস আদালতেও গেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে নির্বাচনের দাবিতে। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে পঞ্চায়েত নির্বাচন করার ক্ষেত্রে কমিশনের কি অবস্থান সেটা ১২ জুন রাজ্যকে আদালতে জানাতে বলে কলকাতা হাইকোর্ট। বঙ্গবিজেপি ও কংগ্রেসের অভিযোগ সিভিক ভলিন্টিয়ার দিয়ে, রাজ্য পুলিশ দিয়ে ভোট করা যাবে না। এই দাবিই আগামী ১৩ জুন দুপুরে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দফতরে বৈঠক হবে। বিরোধীদের এই দাবির মান্যতা রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার কি আদৌ দেবেন? কেন না সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীর অভিযোগ, “রাজীব কুমার কি সত্যিই পঞ্চায়েত নির্বাচন পরিচালনা করতে সক্ষম? কমিশনারের কাজ তো চুধু ভোটের দিন ঘোষণা করাই নয়, শান্তিতে ভোট করা উনি কী সেটা করবপন?”
❤ Support Us






