Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • মার্চ ২৫, ২০২৩

রাহুলের সাংসদ পদ খারিজ, জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ৮(৩) ধারার সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে আবেদন সুপ্রিম কোর্টে

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
রাহুলের সাংসদ পদ খারিজ, জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ৮(৩) ধারার সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে আবেদন সুপ্রিম কোর্টে

মোদি পদবি নিয়ে আপত্তি তোলায় ২০১৯ সালে দায়ের হওয়া একটি মামলার প্রেক্ষিতে কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধির সাংসদ পদ খারিজ হয়ে গিয়েছে। এরপর জল কোনদিকে গডা়বে সেটাই দেখার। এই পরিস্থিতিতে বিশিষ্ট সমাজকর্মী আভা মুরলীধরন সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করে ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ৮(৩) ধারার সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করলেন। আইনজীবী দীপক প্রকাশ এবং আইনজীবী শ্রীরাম পারাক্কাট শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টে পেশ করেছেন সমাজকর্মী আভা মুরলীধরনের আবেদন।

১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের  ৮(৩) ধারার সাংবিধানিক বৈধতা নিয়েই প্রশ্ন তোলা পাশাপাশি ওই ধারার সঙ্গে উপধারার দ্বন্দ্ব সম্পর্কে প্রশ্ন তুলেছেন দুই আইনজীবী।

রাহুল গান্ধির সাংসদ পদ খারিজের পরে সুপ্রিম কোর্টের এই আবেদন তাৎপর্যপূর্ণ। ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ৮(৩) ধারায় বলা হয়েছে, কোনও সাংসদ কিংবা বিধায়ক কোনও অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে, এক্ষেত্রে যদি দু’বছর কিংবা বেশি সময়ের জন্যে কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয় আদালত, তাহলে  সংসদ কিংবা বিধানসভা থেকে ওই ব্যক্তির সদস্যপদ বাতিল হয়ে যাবে।

২০১৯ সালের ১৩ এপ্রিল কর্নাটকের কোলারে একটি নির্বাচনী সমাবেশে রাহুল বলেছিলেন, নীরব মোদি, ললিত মোদি, নরেন্দ্র মোদি – সব চোরেরই কীভাবে একই পদবী হয়? এরপর রাহুলের বিরুদ্ধে্ ফৌজদারি মানহানির মামলা দায়ের হয় ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৯ নম্বর ধারায়। প্রবীণ আইনজীবীদের মতে, এই মামলায় দু’বছরের কারাবাসের শাস্তি বিরল।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!