- দে । শ প্রচ্ছদ রচনা
- জুন ৩, ২০২৪
উত্তর পূর্বের ৬ রাজ্যে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ক্ষতিপূরণ ঘোষণা কেন্দ্রের
ঘূর্ণিঝড় রেমাল পরবর্তী সময়ে উত্তর পূর্বের রাজ্য আসাম এবং মণিপুরে বন্যা পরিস্থিতি ক্রমশ ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করছে। দশটি জেলার ৬ লক্ষের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন । রেমালের প্রভাবে ভারী বর্ষণে আসাম মণিপুরে নদীগুলির জলস্তর বেড়েছে । ফলে সেসব এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
কপিলি, বরাক ও কুশিয়ারা নদীর জল বিপদ সীমার ওপর দিয়ে বইছে । হাইলাকান্দি, হোজাই, মরিগাঁও, করিমগঞ্জ, নগাঁও, কাছাড়, ডিব্রুগড়, গোলাঘাট, কার্বি আংলং পশ্চিম ও ডিমা হাসাও মিলিয়ে মোট ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ৬ লক্ষ ১ হাজার ৬৪২। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত নওগাঁ ও হোজাই জেলা।রাজ্যের ১৩টি জেলায় ১৪জন প্রাণ হারিয়েছেন বন্যায় । সড়ক ও রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যহত হয়েছে। বাতিল হয়েছে বহু ট্রেন। এর মধ্যে মৌসম ভবন ঘোষণা করেছে, , আসামের আকাশ সাধারণত মেঘলা থাকবে। রয়েছে বৃষ্টির সম্ভাবনা। সকাল থেকে গুয়াহাটিতে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত । ফলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গতকাল বন্যা পীড়িত অঞ্চলগুলি ঘুরে দেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মা। তাঁর সাথে ফোনে যোগাযোগ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।তিনি যে সমস্ত বিষয়ের ওপর নজর রাখছেন , তা জানিয়েছেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী। রাষ্ট্রীয় দুর্যোগ মোকাবিলা দল কাজ করছে বলে জানা গেছে।
#WATCH | 564 villages of 13 districts in Assam reel under flood. Death toll rises to 14.
Visuals from Nagaon as a large portion of the district remain inundated and people take refuge in shelters. pic.twitter.com/b6r3yiOhPm
— ANI (@ANI) June 3, 2024
আসামের পড়শি রাজ্য তথা ভারতের উত্তর পূর্বের আরেক রাজ্য মণিপুরের বন্যা পরিস্থিতিও যথেষ্ট উদ্বেগজনক। প্রতিবেশী মণিপুরেও, ঘূর্ণিঝড়ের পিছনে ফেলে আসা বন্যায় অনেকেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।বিভিন্ন এলাকায় ভূমিধ্বসের ঘটনা ঘটেছে। মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং এক্স হ্যান্ডেলে ঘোষণা করেছেন যে বন্যার জল অপসারণ এবং জলাবদ্ধ এলাকা পরিষ্কার করার কাজ শুরু হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, ‘বন্যার জল অপসারণ এবং জলবদ্ধ এলাকাগুলি পরিষ্কার করার জন্য আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। মণিপুর ফায়ার সার্ভিসের দলগুলি উত্তর ইম্ফলে নাগা নদীর প্রবাহ অব্যাহত রাখতে কাজ শুরু করেছে।’ভারতীয় সেনাবাহিনী, আসাম রাইফেলস, এনডিআরএফ ও স্থানীয় প্রশাসন উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছে । মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিংও পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছেন।
❤ Support Us





