- এই মুহূর্তে দে । শ
- মে ২৯, ২০২৫
কবিতা উৎসব নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে খোলা চিঠি কবি-আবৃত্তিকারদের
বন্ধ কবিতা উৎসব। প্রতি বছরের মতো এ বছরও জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে কবিতা উৎসব অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ২০২৫-এর শুরুতেই ছন্দপতন। উৎসব বাতিল। সামাজিক মাধ্যমে টানাপোড়নের পর, এ বার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপ চেয়ে সরব হয়েছেন কবি, আবৃত্তিকার ও সংস্কৃতি মহলের একাংশ। রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানকে উদ্দেশ করে তাঁরা লিখেছেন খোলা চিঠি। অভিযোগের সারাংশ—পশ্চিমবঙ্গ কবিতা আকাদেমির কার্যকলাপে স্বজনপোষণ, আর্থিক অনিয়ম, পক্ষপাত ও দুর্নীতির প্রবল অভিযোগ উঠেছে, সুস্থ-স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনুন। খোলা চিঠিতে সই করেছেন প্রাক্তন উপাচার্য পবিত্র সরকার, প্রাক্তন সাংসদ মালিনী ভট্টাচার্য, কবি অংশুমান কর, মন্দাক্রান্তা সেন, সৌরীন ভট্টাচার্য, একরাম আলি, মন্দাক্রান্তা সেন, রজত বন্দ্যোপাধ্যায়, গৌতম চৌধুরী, শ্যামলকান্তি দাস, নির্মল হালদার, নাট্যব্যক্তিত্ব কুন্তল মুখোপাধ্যায় সহ প্রায় ৬০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি।
ওই চিঠিতে তাঁরা লিখেছেন, ‘ভারতের মধ্যে একমাত্র পশ্চিমবঙ্গেই আপনার উদ্যোগে কবিতা অ্যাকাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এটি একটি অনন্য সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান। কিন্তু সম্প্রতি এই আকাদেমির কার্যক্রম নিয়ে ক্ষোভ ও সন্দেহ বাড়ছে। উৎসব বন্ধ হওয়া সেই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। আমরা দাবি করছি, নিরপেক্ষ তদন্ত হোক এবং দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। যাতে ভবিষ্যতে এই প্রতিষ্ঠানটির কর্মকাণ্ড স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য হয়।’
অভিযোগ গুরুতর। টাকা নিয়ে কবিতা পাঠের সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তরুণ কবি-আবৃত্তিকারদের একাংশের অভিযোগ, উৎসবে সুযোগ পেতে গেলে নির্দিষ্ট কয়েকজন ব্যক্তির লেখা আবৃত্তি করা যেন নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। পুরস্কার দেওয়া নিয়েও পক্ষপাতের অভিযোগ উঠেছে। কবিতা অ্যাকাডেমির এক পরিচালন কমিটির সদস্য জানিয়েছেন, শেষ বৈঠক হয়েছিল ২০২৪ সালের জুন-জুলাই মাস নাগাদ। তারপর থেকে কার্যক্রমে কোনো নিয়মিততা নেই বলেই তাঁর দাবি। এই তথ্যও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এমত অবস্থায় মুখ্যমন্ত্রী কী পদক্ষেপ নেন, সে দিকেই তাকিয়ে রাজ্যের নাগরিক সমাজ। সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে খোলা চিঠির প্রতিলিপি। অনেকে নিজের টাইমলাইনে তা শেয়ার করে সমর্থনও জানাচ্ছেন।
❤ Support Us






