Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • আগস্ট ১৮, ২০২৩

যাদবপুরে ছাত্রমৃত্যুতে ছাত্র, রাজনীতি ও নাগরিক সমাজের মিছিল থেকে দোষীদের সাজার দাবি, মৃতছাত্রের বাড়িতে গেলেন সুজন, শুভেন্দু

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
যাদবপুরে ছাত্রমৃত্যুতে ছাত্র, রাজনীতি ও নাগরিক সমাজের মিছিল থেকে দোষীদের সাজার দাবি, মৃতছাত্রের বাড়িতে গেলেন সুজন, শুভেন্দু

নদিয়ার নিরীহ ছাত্রকে নির্মম ভাবে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেন হস্টেলে অত্যাচার করা ও পরবর্তীতে তাঁর মৃত্যুর ঘটনায় রাজ্য রীতিমতো উত্তাল। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নাগরিক সমাজ, এবিভিপি, টিএমসিপি,এসএফআই, এআইডিএসও নিজেদের মতো করে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করছে। শুরু হয়েছে ছাত্রমৃত্যু নিয়ে রাজনীতি।

শুক্রবার বিকেলে নাগরিক সমাজের তরফে যাদবপুরে একটি মিছিল বার হয় স্বপ্ন খুনিদের শাস্তির দাবিতে। এই মিছিল থেকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাক্তনী ও প্রাক্তন অধ্যাপক মালিনী ভট্টাচার্য, অম্বিকেশ মহাপাত্র, সুজন চক্রবর্তী সহ বহু পরিচিত সমাজকর্মী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এই মিছিল থেকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার আদর্শ পরিবেশ বজায় রেখে প্রথম বর্ষের ছাত্র খুনের ঘটনায় দোষীদের উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানান।
এদিকে দোষীদের শাস্তির দাবিতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের এআইডিএসও সহ সব কটি ছাত্র সংগঠনের তরফে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে যাদবপুর থানা পর্যন্ত যে মিছিল বার হয় সেই মিছিল থেকেও ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় দোষীদের কঠোর সাজার দাবি জানান হয়।
যাদবপুর ৮-বি বাসস্ট্যান্ডে একটি প্রতিবাদ সভা করে এবিভিপি। তাঁদের বক্তব্য, যাদবপুর থেকে লাল পার্টিকে সরাতে হবে।

এদিকে শুক্রবার সিপিএমের তরফে সুজন চক্রবর্তী নিহত ছাত্রের নদিয়ার বাড়িতে গিয়ে তাঁর বাবা, মায়ের সঙ্গে দেখা করেন। সুজন চক্রবর্তী বলেন, “অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। দীর্ঘদিন যাবৎ যাদবপুর সহ সর্বত্র কোনও ছাত্র সংগঠনের নির্বাচন নেই। কারা এসব ঘটনার নেতৃত্ব দিচ্ছে? এসব চালাচ্ছে কারা?”
শুক্রবার শুভেন্দু অধিকারীও গিয়েছিলেন মৃতছাত্রের বাড়িতে। সেখানে ওই মৃতছাত্রের বাবা ও মায়ের সঙ্গে দেখা করে বেরিয়ে শুভেন্দু অধিকারী সাংবাদিকদের বলেন, “আমি ওই মৃতছাত্রের বাবাকে বলেছি, আপনারা এই বিষয়ে যদি সুবিচার চান, তাহলে আপনাদের উচিত আদালতের হস্তক্ষেপ চাওয়া। এখন হাওয়া গরম, তাই ৮/৯ জনকে ধরেছে। এদের সঠিক সময় ট্রায়ল, চার্জশিট হবে না, সময় পেরিয়ে যাবে।”
তবে নদিয়ার এই নিরীহ ছাত্রের যাদবপুরে পড়তে এসে হস্টেলে মৃত্যুর ঘটনায় সব দলই এখন রাজনীতি করতে শুরু করেছে। সবাই চাইছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচিল পেরিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ঢুকে নিজেদের ক্ষমতা কায়েম করতে। এই কাজে বিজেপি অগ্রগণ্য,  তার পরই রয়েছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। কেন না ইতিমধ্যেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় জুড়ে বাম, অতিবাম আধিপত্য জারি আছে। তাই বামপন্থী দলগুলির যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে ঢোকার ইচ্ছের চাইতে দোষীদের সাজা দেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক বেশি সরব হতে দেখা যাচ্ছে। তবে গত ৯ অগাস্ট রাতে ছাত্রটি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেন হস্টেলের তিন তলা থেকে পড়ে গেল না তাঁকে ফেলে দেওয়া হল, সেই বিষয় নিয়ে নিশ্চিত করে বোঝা যাচ্ছে না। এদিকে যত দিন গড়াচ্ছে ততই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!