Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • আগস্ট ১৭, ২০২৩

কেন্দ্র ও রাজ্যের মাদক বিরোধী অভিযান নিয়ে সপ্রশংস দ্রৌপদী। বাদ মণিপুর প্রসঙ্গ

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
কেন্দ্র ও রাজ্যের মাদক বিরোধী অভিযান নিয়ে সপ্রশংস দ্রৌপদী। বাদ মণিপুর প্রসঙ্গ

মহানগরের মাটিতে পা রাখলেন দ্রৌপদী মুর্মু। ভারতের রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি দ্বিতীয় বার বাংলায় এলেন। দুদিনের সফরে বিভিন্ন কর্মসূচিতে যাওয়ার কথা তাঁর। তবে, শুরুতেই রাজভবনে যান। সেখানে ব্রহ্মকুমারী সভার আয়োজিত নেশামুক্ত অভিযানের উদ্বোধন করেন তিনি। নবীন প্রজন্মকে মাদক সেবন কতটা প্রভাবিত করেছে তা নিয়ে নিজের উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এছাড়াও, গার্ডেনরীচে নৌবাহিনীর বিন্ধ্যগিরি নামক আধুনিক যুদ্ধজাহাজ প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন। সেখানেও বক্তব্য রাখেন তিনি। তিনি বলেন, নতুন রণতরীকে সঙ্গে নিয়ে  সমুদ্রপথে ভারতের শক্তি আরও বাড়বে। আত্মনির্ভর ভারতের দিকে আরো এক ধাপ এগিয়ে যাবে দেশ।

নেশামুক্তি অভিযানের সূচনা অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি বলেন, ভারতে যুবসমাজের মধ্যে যেভাবে মাদকজাতীয় দ্রব্যের প্রতি আসক্তি যেভাবে বাড়ছে তা ভাবিয়ে তোলার মতোই। তাঁরা জীবনে সঠিক কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। জাতিসংঘের প্রতিবেদন উল্লেখ করে তিনি বলেন, সারা বিশ্বে তিন কোটি মানুষ মাদকাসক্ত রয়েছেন।  পরে তিনি বলেন, এখন  আর শুধু ভাবা  নয়। সময় এসেছে এনিয়ে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করার। এ ব্যাপারে ব্রহ্মকুমারীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন, তাঁদের গঠনমূলক কাজের জন্য। তিনি আরো বলেন, কেন্দ্র ও রাজ্যের পক্ষ থেকেও মাদক বিরোধী পরিকল্পনা গৃহীত হয়েছে। বিভিন্ন রাজ্যে শুরু হয়েছে কর্মসূচি। জায়গায় জায়গায় খোলা হচ্ছে রিহ্যাব সেণ্টার। শিক্ষাকেন্দ্রগুলোতেও মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতা অভিযান চালানো হচ্ছে। সমাজে কোনো বদল ঘটাতে হলে, মানুষের মানসিকতার পরিবর্তন অবশ্যই দরকার। তার জন্য চাই আধ্যাত্মিক জাগরণ।

দেশ ক্রমশ বাড়ছে মাদক পাচার। ভারতে যে সমস্ত মাদক আসে তার বেশিরভাগটাই আসে উত্তরদিকে পাঞ্জাব হিমাচল প্রদেশ হয়ে। বাকিটা দেশের মণিপুর মিজোরাম হয়ে। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, মাদকদ্রব্য লেনদেনের সঙ্গে অস্ত্র পাচার সহ যাবতীয় সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। এ প্রসঙ্গেই চলে আসে মণিপুর -মিজোরামের অশান্তির কথা। যা তাঁর বক্তব্যে কার্যত অনুপস্থিত।  যুবসমাজের মাদক দ্রব্যর প্রতি আসক্তি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অনেক বক্তব্য তিনি রাখলেও সাধারণ মানুষের কাছে তা পৌঁছানো কীভাবে আটকানো যাবে তা নিয়ে কোনো বক্তব্য তার বক্তৃতায় পাওয়া গেল না। ভারতের পঞ্চদশ রাষ্ট্রপতি অত্যন্ত সংবেদনশীল বলেই রাজনৈতিক মহলে সুপরিচিত। সংগ্রামময় তাঁর জীবন। দেশের একপ্রান্তে যখন হিংসার আগুন জ্বলছে, তখন তা নিয়ে একটি শব্দ খরচ না করাটা তাঁর মতো ব্যক্তিত্বের মানুষের পক্ষে বড়োই বেমানান।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!